আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের। যা নিয়ে মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন মমতা। বুধবার তিনি জয়ী বিধায়কদের বৈঠকে ডেকেছিলেন। প্রায় সবাই ছিলেন উপস্থিত। শুধু সামান্য কয়েকজন ছাড়া।
এদিকে, বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলের অনেক নেতাই সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলছেন। নিজেদের ব্যক্তিগত মত জানাচ্ছেন। যা দলের সঙ্গে কোনওভাবেই যায় না। তাই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তৃণমূল জানিয়েছে, ‘আমরা জানতে পেরেছি বেশ কিছু নেতা সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন। যা তাঁদের একান্তই ব্যক্তিগত। এটা দলের মত নয়। দল এর দায়ও নেবে না। আমরা শুধু বলতে চাই এটা শুধুমাত্র ওই নেতাদেরই ব্যক্তিগত মত। যা তাঁরা সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।’ ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দলের অনুমোদিত মাধ্যমের দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা যখন হয়নি তখন এটিকে আনুষ্ঠানিক মত হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।’
প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর অনেক নেতাই বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। এই হারের জন্য সরাসরি অভিষেককে দায়ী করেছেন। তালিকায় তৃণমূলের যুবনেতা কোহিনূর মজুমদার থেকে নাটাবাড়ির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ঘোষরা রয়েছেন। কেউ বলেছেন, ‘হারের পিছনে এক এবং একমাত্র কারণ অভিষেক ব্যানার্জি। দলটাকে কর্পোরেট একনায়কতন্ত্রে পরিণত করেছে। যে দল গ্রাসরুটে মিশে থাকার কথা, তাকে নিয়ে চলে গেছে ক্যামাক স্ট্রিটের ৬ তলায়। ১৯৯৮ সাল থেকে লড়াই করা নেতাদের পাত্তাই দেয়নি অভিষেক।’ আবার কেউ বলেছেন, ‘রাজ্য পর্যায়ে দলটা দুটো ভাগে ভাগ হয়েছে। একটা দিদি, আর একদিকে অভিষেক।’
এরপরেই এক্স হ্যান্ডলে বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল তৃণমূল।















