আজকাল ওয়েবডেস্ক: টানা তিনবার নন্দীগ্রাম থেকে তিনি বিধায়ক হলেন। দুবার হারালেন মমতা ব্যানার্জিকে। বুধবার নন্দীগ্রামে পা দিতেই শুভেন্দুকে নিয়ে জনজোয়ারে ভাসলেন সেখানকার বিজেপি সমর্থকরা। এরপর শুভেন্দু বলেন, “নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই।” হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, “বিজেপি ১০০ বছর ক্ষমতায় থাকবে।” দলের কর্মী-সমর্থকদের হিংসা থেকে বিরত থাকার বার্তা দিয়ে বললেন, “আইনি পথে সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।”
ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, বাংলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে লড়াই করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রেজাল্ট দুর্দান্ত। দুটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। ফলাফল ঘোষণার পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেলেই তিনি গিয়েছিলেন ভবানীপুরে। সেখানকার কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আবির খেলায় মেতে উঠেছিলে। বুধবার সকালে নিজের গড় নন্দীগ্রামে গেলেন শুভেন্দু। পুজো দিলেন বজরংবলির মন্দিরে। ভূমিপুত্রকে ঘিরে কার্যত জনজোয়ার।
এলাকাবাসীর শুভেচ্ছায় ভাসলেন তিনি। বছরের পর বছর বাংলা শাসনের ভার ছিল কলকাতার বাসিন্দার হাতে। তবে এবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসছে শুভেন্দু অধিকারীর নাম। এদিন তিনি পৌঁছতেই নন্দীগ্রামের মানুষের একটাই দাবি, কাঁথির ছেলেটাই যেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন।
মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বললেন, “নন্দীগ্রামের মানুষ বরাবর আমার উপর ভরসা করেছেন। ২ বার সাংসদ করেছেন। তিনবার বিধায়ক। নন্দীগ্রামের ঋণ আমি শোধ করবই।” যেহেতু ২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, তাই নিয়ম অনুযায়ী কয়েকদিনের মধ্যেই একটি আসন ছাড়তে হবে শুভেন্দুকে। এদিন নন্দীগ্রামবাসীকে তিনি বলেন, “আমার হাতে তো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই, দল যে আসন ছাড়তে বলবে, সেটা আমাকে ছাড়তে হবে। তবে ভবানীপুর হোক বা নন্দীগ্রাম, আমি পাশে আছি, দায়িত্ব পালন করতে আমি ভুল করি না। সিদ্ধান্ত যাই হোক, আমাকে আপনারা সবসময় পাবেন।” শুভেন্দু বুঝিয়ে দিলেন, তিনি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। হুঙ্কার ছেড়ে বললেন, “১০০ বছর বাংলা শাসন করবে বিজেপিই।”
&t=136s
রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে। সবুজ রং থেকে বেরিয়ে এসে রাজ্য এখন গেরুয়াময় হয়েছে। দুশোর বেশি আসন দিতে রাজ্যে নিজেদের প্রথম সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। ৯ মে নতুন সরকার শপথ নেবে। অনুষ্ঠান হবে ব্রিগেডের মাঠে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবার আগে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব।















