আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে তৃণমূল শিবিরের অন্দরে এখন তুলকালাম। এদিকে ‘হার’ মানতে নারাজ খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। তাই পদত্যাগের প্রশ্নটিও তিনি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচজন সাংসদ-সহ ১০ সদস্যের একটি কমিটি গড়েছে তৃণমূল।
দলের নেতারা বাইরে নির্বাচন কমিশনকে দুষলেও, ভেতরে ভেতরে হারের অন্য কারণ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সরাসরিই স্বীকার করেছেন, কিছু নেতার ‘দাদাগিরি’ ও তোলাবাজি মানুষের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট বলেন, “মানুষ আমাদের ওপর চটে ছিল। বিশেষ করে স্থানীয় নেতাদের জুলুম ও তোলাবাজি আমরা সামলাতে পারিনি। এছাড়া হিন্দু মেরুকরণ যে এই পর্যায়ে যাবে, সেটা আমরা বুঝতে ভুল করেছি।”
সৌগতবাবুর মতে, বিজেপির অঙ্কও এবার বেশ কাজে দিয়েছে। বুথ স্তরে তাদের সংগঠন যথেষ্ট আঁটোসাঁটো ছিল। পাশাপাশি ভোটের দিনের পরিবেশ নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের চেয়ে ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়।
তাঁর মতে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিছু বাড়াবাড়ি থাকলেও মোটের ওপর ভোট শান্তিপূর্ণ ছিল। কার্যত কোনও প্রাণহানি না হওয়াকেই তিনি বড় বিষয় হিসেবে দেখছেন।
দলের ভেতরে কেউ কেউ আবার মনে করছেন, তৃণমূলের গায়ে ‘সংখ্যালঘু ঘেঁষা’ তকমা লেগে যাওয়াটাও হিন্দুদের ভোট বিমুখ হওয়ার একটি বড় কারণ। তবে এত কিছুর পরেও মমতায় আস্থা হারাচ্ছেন না সৌগত রায়। তাঁর বিশ্বাস, নেত্রী এক জন পোড়খাওয়া ‘স্ট্রিট ফাইটার’, লড়াই করে তিনি ঠিকই ঘুরে দাঁড়াবেন।















