আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে। রাজন্যা হালদার পেয়েছেন মাত্র ৫১২ ভোট।


ভোটের আগে তিনি তৃণমূল ছেড়েছিলেন। নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রচার সারলেও তিনি যে আমজনতার মনে দাগ কাটতে পারেননি, তা স্পষ্ট ভোটের ফলাফলেই। মাত্র ৫১২ ভোট পেয়ে জামানত বাজেয়াপ্ত হল রাজন্যা হালদারের। 


ধর্মতলায় ২১ শে জুলাইয়ের মঞ্চে তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির সামনে রাজন্যার বক্তৃতা ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর প্রশংসা করেছিলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু তৃণমূল ছাড়ার পর রাজন্যার নির্বাচনী লড়াই মোটে কাজে এল না। সোনারপুর দক্ষিণে জয়ী বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে তিনি হেরেছেন ‌১,২৮,৪৫৮ ভোটে। 


এদিকে, বাংলায় ল্যান্ডসাইড ভিক্ট্রির পর মঙ্গলবার সকালেই কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কাঁথির শান্তিকুঞ্জর বাড়ি থেকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতার রাজ্য পার্টি অফিসের উদ্দেশে রওনা দেন শুভেন্দু। দিল্লি যাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি মুখ খুলতে চাননি। রাজ্য পার্টি অফিসে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন বলেই জানিয়েছেন। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রণাম জানিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এদিকে, শান্তিকুঞ্জ এলাকায় রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।


অন্যদিকে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর নেতৃত্বে পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৈঠকে বসবে বিজেপি। 


সূত্রের খবর, এই বৈঠকে মূলত মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন এবং সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার রূপরেখা নিয়েই আলোচনা হবে। বাংলার নতুন ক্যাবিনেটে কারা জায়গা পেতে পারেন, তা নিয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে, বাংলার মসনদে কে বসবেন তার সিদ্ধান্তও এদিনই হওয়ার সম্ভাবনা।
এরপর রাজ্য বিজেপির সল্টলেকের দপ্তরেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য, রাহুল সিনহা–সহ কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ওই বৈঠকেও রাজ্যের সম্ভাব্য মন্ত্রিসভা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।