আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পরপরই মালদহে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু। বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে মালদহের জেলাশাসকের দপ্তরের জরুরী বৈঠক হয়। এই বৈঠকে বিএসএফ, জেলা প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় পূর্ত সড়ক বিভাগের কর্তারা হাজির ছিলেন। জেলার কোন কোন সীমান্ত এলাকায় জমির অধিগ্রহণের পরিস্থিতির কী অবস্থা, তা নিয়ে পর্যালোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। দ্রুত জমিজট কাটিয়ে অধিগ্রহণের কাজ শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, মালদহে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে প্রায় ১৭২ কিলোমিটার। এরমধ্যে ৩৩ কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্ত। এরমধ্যে হবিবপুর এবং বামনগোলা ব্লকে উন্মুক্ত সীমান্তের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এছাড়া মালদহের ইংরেজবাজার এবং কালিয়াচক-তিন নম্বর ব্লকে বেশ কয়েক কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্ত রয়েছে।
এরআগে তৃণমূল সরকারের আমলে বেশ কয়েকবার মাপ নেওয়ার কাজ হলেও জমি অধিগ্রহণ বাস্তব রূপ পায়নি। বরং জমি জটে আটকে যায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির কাজ।
পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কুর্সিতে বসেই সীমন্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য আগামী দেড় মাসের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে আজ বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকেরা, মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর, জেলা ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর, কেন্দ্রীয় পূর্তসড়ক বিভাগ কর্তৃপক্ষ বৈঠক করেন। এই বৈঠকে জমি অধিগ্রহণের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়।















