করলা তেতো হলেও এর গুণের শেষ নেই। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থেকে হজমের সমস্যা- ঘরোয়া টোটকায় করলার জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু রান্নার আগে আমরা প্রায়ই একটা কাজ করি, তা হল করলার বীজগুলো খুঁটিয়ে ফেলে দেওয়া।
2
10
কেউ ভাবেন বীজ খেলে ক্ষতি হবে, কেউ আবার মনে করেন ওতেই আসল পুষ্টি। আসলে সত্যিটা কী? আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ দীক্ষা ভাভসরের মতে, করলার বীজ খাওয়া উচিত কি না, তা নির্ভর করে বীজের অবস্থার ওপর।
3
10
করলার সব বীজ শরীরের জন্য সমান নয়। বীজ খাওয়ার ক্ষেত্রে মূলত দুটি বিষয় মাথায় রাখতে হয়।
4
10
করলা যদি কচি হয়, তবে তার বীজগুলো সাধারণত সাদা ও নরম থাকে। এই বীজগুলো সবজির সঙ্গেই নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়। এগুলো শরীরের জন্য নিরাপদ।
5
10
করলা যদি বেশি পেকে যায়, তবে তার বীজ শক্ত এবং লালচে হয়ে যায়। এই ধরণের বীজ এড়িয়ে চলাই ভালো। এগুলো হজম করা কঠিন এবং পেটের গোলমাল ঘটাতে পারে।
6
10
অনেকেই জানেন না করলার বীজে কী কী উপকার হতে পারে৷ এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে সাহায্য করে।
7
10
কিছু গবেষকের দাবি, করলার বীজে এমন কিছু উপাদান আছে যা রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
8
10
আবার অন্যদিকে, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটি বিপজ্জনক। করলার বীজ খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া উচিত।
9
10
যাঁদের গ্যাস, অম্বল বা হজমের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা আছে, তাঁদের শক্ত বীজ না খাওয়াই শ্রেয়। অতিরিক্ত বীজ খেলে পেট ব্যথা বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।
10
10
সব বীজই বিষ নয়, আবার সব বীজই মহৌষধি নয়। রান্নার সময় যদি দেখেন বীজগুলো সাদা ও নরম, তবে সেগুলো ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।