আজকাল ওয়েবডেস্ক: নতুন সরকার। নয়া নিয়ম। প্রতি পদক্ষেপে বিজেপি সরকার বোঝাচ্ছে জনগণকে, যেসব প্রতিশ্রুতি তারা দিয়েছিল ক্ষমতায় আসার আগে, সব প্রতিশ্রুতি পালন করছে, করবে। একদিকে যেমন কড়া বার্তা পার্কিং নিয়ে, তেমনই আবার নজর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতাও। শহর সুন্দর রাখতে, এবার বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের। এদিন অগ্নিমিত্রা পাল জানান, জিও-ট্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি বিশেষ অ্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। কোথাও আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখলে সাধারণ মানুষ ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন। অভিযোগ পাওয়ার এক থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট পুরসভা বা কর্পোরেশনকে সেই জায়গা পরিষ্কার করতে হবে। তিনি বলেন, 'ফোনের মধ্যে ওই অ্যাপ ডাউনলোড করে, জিও-ট্যাগিং করে পাঠিয়ে দেবেন যেখানে ময়লা রয়েছে, এক থেকে দু’ঘণ্টার সেই ময়লা পরিষ্কার করা হবে।'
বেআইনি পার্কিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে সরকার। অগ্নিমিত্রা এদিন স্পষ্ট করেন সেই বিষয় টিও। সাফ জানান, শুধুমাত্র অনুমোদিত জায়গাতেই পার্কিং করা যাবে। মন্ত্রী জানান, 'রাস্তার দু'পাশে অবৈধভাবে পার্কিং রাখা হয়। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে, যেদিকে পার্কিং, সেদিকেই গাড়ি থাকবে। তাতে মানুষের যাতায়াতে সুবিধা হবে।' একই সঙ্গে তৃণমূল সরকারকেও কটাক্ষ করেছেন। বলেন, 'বিভিন্ন জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ নিয়ে তৃণমূলের ক্যাডার এবং অন্যান্য মানুষ টাকা তুলেছেন, সেই রাজস্ব সরকারের কাছে আসেনি। আমার দপ্তর থেকে এই নোটিস দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যেখানে এই ধরনের ভুয়ো রসিদ দেখিয়ে টাকা তোলা হচ্ছে পার্কিং-এর, দ্রুততার সঙ্গে বন্ধ করা হবে তা।' নির্দিষ্ট পার্কিং ফি থাকবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিজেপি সরকারের পাখির চোখ শিশু ও নারী সুরক্ষা। এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অগ্নিমিত্রা পালকে। তিনি নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়াও পুরোন্নয়ন দপ্তরেরও মন্ত্রী তিনি। প্রথম থেকেই একাধিক বিষয়ে কড়া অবস্থানের কথা জানিয়েছেন তিনি। এবার সামনে আনলেন সরকারের আরও কয়েকটি উদ্যোগের প্রসঙ্গ।
এদিন অগ্নিমিত্রা জানান, 'পুরোন্নয়ন এবং শিশু ও নারী কল্যাণ, যে দুটি বিভাগের দায়িত্ব আমার, ওই দুই বিভাগের জন্য একটি নম্বর জনসাধারণকে দেওয়া হবে। পুরোন্নয়ন বিভাগের যে সমস্যা, তাঁরা ওই নম্বরে ফোন করে বলবেন। তার উপরে আমরা কাজ করব। নারী এবং শিশু বিভাগেও যে যে সমস্যা, ওই বিভাগের নম্বরে ফোন করে জানাতে হবে। তার উপরে আমরা অ্যাকশন নেব। ' এই প্রসঙ্গে একটি বিষয় আরও স্পষ্ট করে জানান, 'চাইল্ড হেল্পলাইন নম্বর আছে। কিন্তু মহিলাদের আলাদা হেল্পলাইন নম্বর নেই। ফলে চাইল্ড হেল্পলাইন নম্বরকেই একই সঙ্গে জুড়ে ব্যবহার করা হবে। ফোন ওখানেই আসবে।' অর্থাৎ, তারপর সমস্যা পৃথক করে নিয়ে, সমাধান করবে রাজ্য সরকার।















