আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইছামতি নদীর ধারে বেআইনি নির্মাণে কড়া পদক্ষেপ। ১৩টি গেস্ট হাউস ভাঙার নির্দেশ দিল টাকি পুরসভা। ইছামতি নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা একাধিক বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে এবার এমনই কড়া পদক্ষেপ নিল পুরসভা।
পুরসভা সূত্রে খবর, উপযুক্ত নথিপত্র দেখাতে না পারায় ৫৬টি গেস্ট হাউস, হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩টি গেস্ট হাউসকে বেআইনি ঘোষণা করে ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ১৫ মে রাজ্য নগরোন্নয়ন ও পুর দপ্তরের পক্ষ থেকে বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশিকা টাকি পুরসভার কাছে পৌঁছয়। সেই নির্দেশ মেনে পুরসভা ইছামতি নদী সংলগ্ন ৫৬টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাছে নির্মাণ সংক্রান্ত বৈধ নথি জমা দেওয়ার নোটিস পাঠায়।
পুরসভার দাবি, নথি যাচাইয়ের সময় ১৩টি গেস্ট হাউস বৈধ নির্মাণের প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়। এরপর ওই প্রতিষ্ঠানগুলির সামনে আনুষ্ঠানিক নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এক সপ্তাহের মধ্যে বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। অন্যথায় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, ইছামতি নদীর ধারে গত প্রায় ১৫ বছরে একাধিক গেস্ট হাউস ও বাণিজ্যিক নির্মাণ গড়ে উঠেছে। নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার স্বার্থে এই ধরনের বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছে প্রশাসন।
এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন টাকির বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, ইছামতি নদীর তীরবর্তী এলাকা তার পুরনো সৌন্দর্য ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে পাক, সেই লক্ষ্যেই বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পুরসভার এই অভিযানের ফলে ইছামতি নদী সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি নির্মাণ নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে আরও তদন্ত ও অভিযান চলতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।















