আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পর এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমাচ্ছেন তিনিও। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট অথরিটিকে তাঁর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ নিরাপত্তার খাতিরে যেটুকু গাড়ির প্রয়োজন, তা ছাড়া বাড়তি গাড়ি নয়।
বুধবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বার্তা দেন। এরপরই তাঁর অনুকরণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করলেন। বুধবার, ১৩ এপ্রিল থেকেই এটি কার্যকর হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর৷
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট। এই আবহে আর্থিক অস্থিরতার জেরে এই বড় পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সরকারি খরচ কমাতে নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা এক ধাক্কায় ৫০ শতাংশ কমিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তায় মোতায়েন ‘স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ’-কে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, কনভয়ে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা বাড়াতে হবে। তবে তার জন্য নতুন করে কোষাগারের টাকা খরচ করে গাড়ি কেনা চলবে না। নিরাপত্তার কড়াকড়ি বা ‘ব্লু বুক’-এর নিয়ম মেনে এসপিজি ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তার প্রভাব পড়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা থেকে শুরু করে রাজস্থানের ভজনলাল শর্মা ও মধ্যপ্রদেশের মোহন যাদব- সকলেই নিজেদের কনভয়ের বহর ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের জেরে বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার ডাক দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘সব কিছুতে আমদানির ওপর নির্ভর করলে দেশের উন্নতি অসম্ভব।’’ নাগরিকরা যাতে বিদেশের বদলে দেশি পণ্য বেশি ব্যবহার করেন, সেই আর্জিও জানিয়েছেন তিনি।
বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার সুরক্ষিত রাখতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে দু’টি বিশেষ অনুরোধ করেছেন-
আগামী এক বছর খুব প্রয়োজন না থাকলে সোনা কেনা বন্ধ রাখা।
বিদেশে ছুটি কাটাতে যাওয়া বা ভিনদেশে বিয়েবাড়ির জাঁকজমক (ডেস্টিনেশন ওয়েডিং) এড়িয়ে চলা।
মোদির কথায়, বিদেশি মুদ্রা বাঁচানোও এক ধরনের ‘দেশপ্রেম’। আমজনতাকে বিদেশের বদলে দেশের পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ঘুরতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।















