আজকাল ওয়েবডেস্ক: এবার শিক্ষা দপ্তরে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গাঙ্গুলি।

তৃণমূল সরকারের আমলে শিক্ষা দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী থেকে শুরু করে পর্ষদ ও কমিশনের মাথায় থাকা ব্য়ক্তিদেরও হাজতবাস হয়েছে। নয়া সরকার ক্ষমতায় এসে শিক্ষা দপ্তরে বদলের আভাস মিলেছে। বদলের পথে এই বিভাগের খোলনলচে। এই প্রেক্ষাপটে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গাঙ্গুলি।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা চলাকালীন এসএসসি-র চেয়ারম্যান নিয়োগ করে রাজ্য সরকার। ওই পদে বসানো হয় সিদ্ধার্থ মজুমদার। এরপর গত জানুয়ারি মাসে ওই পদে সিদ্ধার্থ মজুমদারের অবসর নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাঁর মেয়াদ ছয় মাস বৃদ্ধি করে। সব মিলিয়ে চার বছর চার মাস ওই পদে ছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার। শেষ পর্যন্ত তিনি শিক্ষা দপ্তরে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিক্ষা দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত কল্যাণময় গাঙ্গুলির বদলে মধ‍্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব পান রামানুজ গাঙ্গুলি। তিনিও মুখ্যসচিবের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে।

এছাড়া, এসএসসির আঞ্চলিক কার্যালয়ের চেয়ারপার্সনরাও পদত্যাগ করেছেন। কলেজ ও স্কুলগুলিতে থাকা গভর্নিং বডির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়ে থাকলে, তা রিভিউ করতে বলা হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ-সহ অন‍্যত্র বয়স পেরিয়ে যাওয়া ব‍্যক্তিদের সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।