আজকাল ওয়েবডেস্ক: এসআইআর এর প্রথম পর্ব শেষ হয়ে, দ্বিতীয় পর্ব চলছে রাজ্যে। ১৬ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যের বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর খসড়া তালিকা। আগে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, ১৬ ডিসেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যে কোনও সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক দল অভিযোগ বা দাবি বা আপত্তি জানাতে পারবে। কোনও কারণে খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে ১৬ ডিসেম্বর থেকেই আবেদন করা যাবে। সে ক্ষেত্রে নতুন ভোটারের আবেদনপত্র (ফর্ম-৬) ভরতে হবে। অনলাইনে নাম বাদ দিতে ফর্ম-৭ এবং তথ্য সংশোধনের জন্য ফর্ম-৮ ভরতে হবে। সেই প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে জুড়ে। চলছে এসআইআর হিয়ারিং অর্থাৎ শুনানি প্রক্রিয়া। এই শুনানি ও যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলছে ১৬ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

 

তবে ১৫ ডিসেম্বর, অর্থাৎ অভিযোগ, দাবি বা আপত্তির জানানোর সময় শেষের একমাস আগে, কমিশন জানিয়ে দিল, পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য, ১৫ জানুয়ারির বদলে, চার দিন বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ অভিযোগ, দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, রাজস্থান, লক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি। 

 

এর আগেই, বৃহস্পতিবার অপর এক সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে কমিশন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বৈধ নথির তালিকায় পড়ছে না। অর্থাৎ, ভারতের নাগরিক হওয়ার বৈধ নথি হিসেবে দেখানো যাবে না মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড।

 

এই প্রসঙ্গে, এক বিবৃতি মারফত নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়, পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরুর আগে কমিশনের পক্ষ থেকে গত ২৭ অক্টোবর জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী যাচাইয়ের জন্য গ্রহণযোগ্য নথির তালিকায় মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) অ্যাডমিট কার্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে, নতুন করে বিবেচনা করার পরেও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব মঞ্জুর করা হচ্ছে না। উল্লেখ্য, এসআইআরের শুনানির সময় প্রথমে মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। পরবর্তীতে সিইও দপ্তর থেকে বলা হয়, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে জন্মের তারিখ রয়েছে। ফলে, শুনানিতে সেটি গ্রহণ করা যাবে কিনা তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়।সেই মতো জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে আবেদন জানানো হয় রাজ্যের সিইও দফতর থেকে। কিন্তু এদিন জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, মাধ্যমিকের নথি বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।