আজকাল ওয়েবডেস্ক: রেল চত্বরে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পুরোপুরি বর্জন করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। স্টেশনগুলোতে প্লাস্টিক বর্জ্য আলাদা করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে পচনশীল বর্জ্য থেকে কম্পোস্টিং বা 'ওয়েস্ট টু এনার্জি' (বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন) প্রকল্প সফল করা যায়। একই সঙ্গে ট্রেনের জানালা দিয়ে যাত্রীদের চা-এর কাপ বা অন্যান্য আবর্জনা ফেলার প্রবণতা বন্ধের তীব্র আহ্বান জানিয়েছেন জিএম। তিনি বলেন, সবাই জানালা দিয়ে কাপ ফেললে রেললাইনের বিস্তীর্ণ অংশ জুড়ে ময়লা ছড়িয়ে পড়ে, যা পরিষ্কার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
যাত্রীদের পাশাপাশি রেলের নিজস্ব কর্মীদের দায়বদ্ধতা নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। ট্রেনে কর্মরত ওবিএইচএস এবং প্যান্ট্রি কারের কর্মীদের ট্রেনের ভেতরের সমস্ত আবর্জনা নির্দিষ্ট স্টেশনের ডাস্টবিনে ফেলার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মীরা ঠিকমতো ময়লা ফেলছেন কি না, তা সিসিটিভি-র মাধ্যমে সার্বক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
কোনও কর্মী নিয়ম অমান্য করলে তাকে কঠোর জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি, এই কর্মীদেরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যাত্রীদের ওপর নজর রাখার। কোনও যাত্রী ট্রেনের ভেতর বা লাইনে ময়লা ফেললে তৎক্ষণাৎ আরপিএফ-কে জানাতে বলা হয়েছে, যাতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
রেল চত্বরে যেকোনও ধরনের অপরাধ বা নিয়ম লঙ্ঘন ঠেকাতে আরপিএফ এখন অত্যন্ত তৎপর। জেনারেল ম্যানেজার মনে করিয়ে দেন যে, সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে আজ হোক বা কাল, অপরাধীকে চিহ্নিত করা সম্ভব। নজরদারিকে আরও নিশ্ছিদ্র করতে রেলওয়েতে এবার যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক 'ফেস রিকগনিশন' ক্যামেরা। এর ফলে কোনও যাত্রী যদি নিয়ম ভেঙে বা নোংরা করে পালিয়েও যান, পরবর্তীতে তিনি যখনই কোনও স্টেশনে পা রাখবেন, এই ক্যামেরা তাকে সহজেই সনাক্ত করে ফেলবে।
জিএমের কথায়, স্টেশন চত্বর ও ট্রেনগুলোতে এই লাগাতার প্রচার অভিযান জারি থাকবে, যাতে রেলযাত্রাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করে তোলা যায়।















