আজকাল ওয়েবডেস্ক: শনিবার সকালে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন কংগ্রেসের প্রচারে ‘হামলা’ চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের নওদা বিধানসভার দমদমা–শ্যামনগর এলাকায়। ওই মিছিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল দুষ্কৃতীরা অধীর চৌধুরীর উপরও ‘হামলা’ চালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত কংগ্রেস কর্মী, অধীর চৌধুরীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশ বাহিনী বিক্ষোভরত তৃণমূল কর্মীদের সরিয়ে দেয়। অভিযোগ উঠেছে গোটা বিক্ষোভে পেছন থেকে মদত দিয়েছেন নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার বহরমপুর শহরে নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময়ও অধীর চৌধুরীকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান এবং ‘গো–ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছিলেন। সেই সময় এক তৃণমূল কর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তবে এদিন তিনি কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে বিক্ষোভ চলাকালীন গাড়িতে বসেছিলেন।
আজ সকাল ৯ টা নাগাদ নওদা বিধানসভার দমদমা–শ্যামনগর থেকে পায়ে হেঁটে প্রচার শুরু করেন অধীর চৌধুরী। এর কিছুক্ষণের মধ্যে কয়েকশো তৃণমূল কর্মী অধীর চৌধুরীর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁকে সামনে এগোতে বাধা দেন। বিক্ষোভকারীরা তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে অধীর চৌধুরীকে ঘিরে ‘গো–ব্যাক’ স্লোগানও দিতে থাকেন। অধীর বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জির উস্কানিতে আমার উপর হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে আমি তৃণমূলের গুন্ডামি মস্তানির পরোয়া করি না। আমার দলের সমর্থকরাই আজ আমাকে বাঁচিয়েছে। পুলিশ সেই সময় ললিপপ খাচ্ছিল। আমি গোটা ঘটনাটি ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি।’ অধীরবাবু বলেন, ‘এইভাবে সন্ত্রাস করে তৃণমূলকে একটা বুথও লুট করতে দেব না। যদি ওরা লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর এবং মুর্শিদাবাদের একটা বুথও লুট করতে পারে তাহলে আমি রাজনীতি করা ছেড়ে দেবো।’
গোটা ঘটনার নিন্দা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নওদা বিধানসভার বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খান। তিনি বলেন, ‘অধীর চৌধুরীর উপর হামলা হয়নি। কিছু অত্যুৎসাহী তৃণমূল সমর্থক তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো–ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছে। তবে উনি যেহেতু লোকসভা নির্বাচনে একজন প্রার্থী তাই ওঁর প্রচার করার অধিকার রয়েছে। যারা এই কাজ করেছে, তারা ঠিক করেনি।’
যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত কংগ্রেস কর্মী, অধীর চৌধুরীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশ বাহিনী বিক্ষোভরত তৃণমূল কর্মীদের সরিয়ে দেয়। অভিযোগ উঠেছে গোটা বিক্ষোভে পেছন থেকে মদত দিয়েছেন নওদা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সফিউজ্জামান।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার বহরমপুর শহরে নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময়ও অধীর চৌধুরীকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান এবং ‘গো–ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছিলেন। সেই সময় এক তৃণমূল কর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তবে এদিন তিনি কোনও প্ররোচনায় পা না দিয়ে বিক্ষোভ চলাকালীন গাড়িতে বসেছিলেন।
আজ সকাল ৯ টা নাগাদ নওদা বিধানসভার দমদমা–শ্যামনগর থেকে পায়ে হেঁটে প্রচার শুরু করেন অধীর চৌধুরী। এর কিছুক্ষণের মধ্যে কয়েকশো তৃণমূল কর্মী অধীর চৌধুরীর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁকে সামনে এগোতে বাধা দেন। বিক্ষোভকারীরা তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে অধীর চৌধুরীকে ঘিরে ‘গো–ব্যাক’ স্লোগানও দিতে থাকেন। অধীর বলেন, ‘মমতা ব্যানার্জির উস্কানিতে আমার উপর হামলার চেষ্টা হয়েছিল। তবে আমি তৃণমূলের গুন্ডামি মস্তানির পরোয়া করি না। আমার দলের সমর্থকরাই আজ আমাকে বাঁচিয়েছে। পুলিশ সেই সময় ললিপপ খাচ্ছিল। আমি গোটা ঘটনাটি ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি।’ অধীরবাবু বলেন, ‘এইভাবে সন্ত্রাস করে তৃণমূলকে একটা বুথও লুট করতে দেব না। যদি ওরা লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর এবং মুর্শিদাবাদের একটা বুথও লুট করতে পারে তাহলে আমি রাজনীতি করা ছেড়ে দেবো।’
গোটা ঘটনার নিন্দা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নওদা বিধানসভার বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খান। তিনি বলেন, ‘অধীর চৌধুরীর উপর হামলা হয়নি। কিছু অত্যুৎসাহী তৃণমূল সমর্থক তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো–ব্যাক’ স্লোগান দিয়েছে। তবে উনি যেহেতু লোকসভা নির্বাচনে একজন প্রার্থী তাই ওঁর প্রচার করার অধিকার রয়েছে। যারা এই কাজ করেছে, তারা ঠিক করেনি।’















