আজকাল ওয়েবডেস্ক: তিন প্রধানের হয়ে খেলেছেন। আবার গোল দিয়েছেন তিন প্রধানকেই। শেষ বাঙালি স্ট্রাইকার ভোটের মুখেও কি খেলা দেখাচ্ছেন? খেলা দেখাবেন বিধানসভা ভোটে? দীপেন্দু বিশ্বাসের ঘর ওয়াপসির পর একাংশ আপাতত এমনটাই ভাবছে।

 

কারণ খেলায় ময়দান থেকে ভোটের ময়দান, দীপেন্দু এসেছিলেন, খানিকটা ফিকেও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটের মুখে একেবারে শাসক দলের হাত ধরে ঘরে ফেরায় চমক বাংলার রাজনীতির অলিন্দে। বলা যায়, শনিবার প্রতীক উর যে দলবদল করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন, রবিবার সেই রেশ টেনে নিয়ে এলেন দীপেন্দু। 

রবিবার তৃণমূলের পতাকা আবার হাতে নিয়েছেন। আর সঙ্গে সঙ্গেই জল্পনা, এই আনুষ্ঠানিক যোগদান কি কেবল ভূমিকার ভূমিকা? টিকিট দেওয়ার জন্যই কি এই যোগদান সেরে ফেলল শাসক দল। প্রশ্ন, গুঞ্জনের মাঝেই আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল প্রাক্তন ফুটবলারের সঙ্গে, একগুচ্ছ প্রশ্ন নিয়েই। কী বলছেন তিনি?

তৃণমূলে ফিরলেন, ঘরওয়াপসি...

দীপেন্দু: আমি তো ঘরেই ছিলাম, এটা আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরা। মমতা ব্যানার্জি, অভিষেক ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ, বসিরহাট জেলার নেতৃত্বকে ধন্যবাদ।

ভোটের মুখেই এই আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান, তাহলে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন তো?


দীপেন্দু:: এটা আমি বলতে পারব না। আমি প্রথমবারেই ভোট লড়েছি। হেরেছি। দ্বিতীয়বার জিতেছি। ২০১৬-২১, তৃণমূল বসিরহাটে প্রচুর কাজ করেছে। এখন ভোট নিয়ে কিছু বলব না। দল যে কাজ দেবে, সে কাজই করব। বসিরহাটে আরও অনেক কাজ হবে। আগামী দিনে আশা করি বসিরহাটে খেলাধূলাও অনেক উন্নত হবে। 

দলের সঙ্গে কাজ, দায়িত্ব নিয়ে কথা হল?


দীপেন্দু: বসিরহাট জেলার নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি তো এখানকার প্রাক্তন বিধায়ক। এই এলাকা আমার চেনা। আমাকে এবার যেভাবে কাজে লাগাবে দল। 

বসিরহাট চেনা এলাকা, কী মনে হচ্ছে এবারের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে?

দীপেন্দু: দলের অবস্থা খুব ভাল। বসিরহাটের সাতটা সিটই এবারও তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। 

দীপেন্দু বিশ্বাসের রাজনীতির ময়দানের বিচরণ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে দীপেন্দু বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভা থেকে ভোট লড়েছিলেন তৃণমূলের হয়ে। সেবার উপনির্বাচনে পরাজিত হন। ২০১৬-তে ওই বিধানসভা থেকেই ভোট জিতে বিধায়ক হন। দল বদল করেন, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে। যদিও গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দীপেন্দুর যোগাযোগ খুব একটা দীর্ঘকালীন ছিল না। মাত্র এক বছরের মাথায় পদ্ম শিবির ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে, ফের ফিরলেন তৃণমূলেই।