আজকাল ওয়েবডেস্ক: আরএসএস-এর প্রচারক। সেখান থেকে রাজনীতির ময়দানে মেদিনীপুরের ছেলে দিনীপ ঘোষ। ক্রমেই হয়ে উঠেছেন পদ্ম শিবিরের দাপুটে নেতা। সামলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দায়িত্ব। খড়গপুরের বিধায়ক, পরে মেদিনীপুর থেকে জিতে সাংসদ। এবার ফের খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দিলীপ ঘোষ প্রমাণ করেছেন যে, বঙ্গ রাজনীতিতে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা কেবল অটুট নয়, অপরিহার্য। শুভেন্দু মন্ত্রিসভারও অন্যতম মুখ দিলীপ বাবু।

দিলীপ ঘোষের জন্ম ও  বেড়ে ওঠা:
দিলীপ ঘোষ জন্ম ১৯৬৪ সালের ১লা আগস্ট। 

আরএসএস জীবন: 
১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগ দেন এবং দীর্ঘদিন প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর তিনি সঙ্ঘের আদর্শে নিজেকে জারিত করেছেন। প্রচারক হিসেবে ভারতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছেন।

বিজেপিতে যোগদান ও উত্থান: 
২০১৪ সালে যখন রাজ্যে বিজেপির শক্তি ছিল নগণ্য, তখন সঙ্ঘের নির্দেশে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। 

বিজেপি রাজ্য সভাপতি (২০১৫-২০২১): 
তাঁর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়। 

সাংসদ ও বিধায়ক: 
২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে বিজেুপি কাঙ্খিত ফলাফল না করতে পারলেও বাংলার বুকে প্রথমবার ৭৭ আসন দখন করে বিরোদী দলের তকমা পায়। 

জাতীয় সহ-সভাপতি (২০২১-২০২৩): 
রাজ্য সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতির পর দিলীপ ঘোষকে বিজেপি-র জাতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের ভার দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে দুর্গাপুর-বর্ধমান থেকে লড়লেও পরাজিত হন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন: 
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদর আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৫৭ শতাংশ ভোট পেয়ে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন।

রাজ্যের মন্ত্রী: 
শনিবার বাংলার প্রথম বিজেপি মন্ত্রীসভার মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।