আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলাবাসী ও জেলা প্রশাসনের দাবি মেনে বহরমপুর শহরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বাইপাস অংশের কাজ শেষ হওয়ার আগেই উৎসবের মরশুমে যানজট এড়ানোর জন্য জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৫ দিনের জন্য অংশটি খুলে দিয়েছে।
রবিবার সকালে বাইপাসে সেই অংশ পরিদর্শনে যান বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এরপর হঠাৎই সকলকে চমকে দিয়ে একটি বুলেট বাইক চালিয়ে বাইপাসের বিস্তীর্ণ অংশের কাজ দেখতে বেরিয়ে পড়েন।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে (যার সত্যতা আজকাল.ইন যাচাই করেনি), অধীর রঞ্জন চৌধুরী যখন মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন তখন তাঁর মাথায় কোনও হেলমেট ছিল না এবং মাঝেমধ্যেই স্ট্যান্ট দেখানোর জন্য ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বাইপাসের উপরে তিনি মোটরসাইকেল থেকে হাত ছেড়ে দিচ্ছিলেন।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে সোশ্যাল মিডিয়াতে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন একজন সাংসদ হিসেবে কীভাবে তিনি হেলমেট ছাড়া বাইক চালালেন।
প্রসঙ্গত বর্তমানে কলকাতা থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে উত্তরবঙ্গ যেতে গেলে বহরমপুর শহরের উপর দিয়েই যেতে হয়। কিন্তু ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের যে বাইপাসটি তৈরি হয়েছে তা বহরমপুর শহরের ভেতরে না ঢুকে সারগাছির কাছ থেকে আলাদা হয়ে নবগ্রামের কাছে গিয়ে উঠেছে। তবে বাইপাস অংশে ভাগীরথী নদীর উপর একটি লেনের ব্রিজ তৈরির কাজ এখনও বাকি থাকায় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়নি।
বাইপাস দেখতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিল্লিতে সড়ক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ আধিকারিকদের বহুবার অনুরোধ করে মহালয়া থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত বাইপাস রাস্তাটি খুলে দিতে পেরেছি। আমি চেষ্টা করছি রাস্তাটি যাতে কালীপুজো পর্যন্ত খোলা থাকে।
এরপরই অধীর চৌধুরী একটি বুলেট চালিয়ে রাস্তা দেখতে বেরিয়ে পড়েন। যদিও বাইক চালানোর সময় অধীর চৌধুরীর মাথাতে কোনও হেলমেট ছিল না। তার পরিবর্তে সাংসদের মাথায় একটি সাধারণ কালো টুপি ছিল। সূত্রের খবর ওই টুপিটি সম্প্রতি তাঁকে ভারতীয় নৌসেনার তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে অধীর চৌধুরী বাইক চালানোর সময় দুহাত ছেড়ে দিয়ে কখনও নমস্কার করছেন কখনও দুহাত পাশে তুলে স্ট্যান্ট দেখানোর চেষ্টা করছেন।
তার এই ভিডিও দেখে বহু নেট নাগরিক প্রশ্ন তুলেছেন একজন আইনসভার সদস্য কীভাবে আইন ভেঙে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালেন। অধীর চৌধুরীর নিজে তার এই আইন ভাঙা কাজ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ওই রাস্তার সাথে আমার আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমি যখন বাইক চালিয়েছিলাম তখন সেখানে কোনও ট্রাফিক পুলিশ ছিল না। পুলিশ যদি মনে করে আমি অন্যায় কাজ করেছি, তারা আমাকে জরিমানা করতে পারে। আমি সেই টাকা দিয়ে দেব।
জেলা পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন-হেলমেট না পরে বাইক চালানোর জন্য ১০০০ টাকা এবং মোটর ভেহিকল আইনের ১৮৪ এবং ১৮৯ ধারা অনুসারে বিপদ্দজনকভাবে গাড়ি চালানো এবং স্ট্যান্ট দেখানোর জন্য আরও ৫০০০ টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে সাংসদের।
রবিবার সকালে বাইপাসে সেই অংশ পরিদর্শনে যান বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এরপর হঠাৎই সকলকে চমকে দিয়ে একটি বুলেট বাইক চালিয়ে বাইপাসের বিস্তীর্ণ অংশের কাজ দেখতে বেরিয়ে পড়েন।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে (যার সত্যতা আজকাল.ইন যাচাই করেনি), অধীর রঞ্জন চৌধুরী যখন মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন তখন তাঁর মাথায় কোনও হেলমেট ছিল না এবং মাঝেমধ্যেই স্ট্যান্ট দেখানোর জন্য ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বাইপাসের উপরে তিনি মোটরসাইকেল থেকে হাত ছেড়ে দিচ্ছিলেন।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়াতে সোশ্যাল মিডিয়াতে নিন্দার ঝড় উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন একজন সাংসদ হিসেবে কীভাবে তিনি হেলমেট ছাড়া বাইক চালালেন।
প্রসঙ্গত বর্তমানে কলকাতা থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে উত্তরবঙ্গ যেতে গেলে বহরমপুর শহরের উপর দিয়েই যেতে হয়। কিন্তু ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের যে বাইপাসটি তৈরি হয়েছে তা বহরমপুর শহরের ভেতরে না ঢুকে সারগাছির কাছ থেকে আলাদা হয়ে নবগ্রামের কাছে গিয়ে উঠেছে। তবে বাইপাস অংশে ভাগীরথী নদীর উপর একটি লেনের ব্রিজ তৈরির কাজ এখনও বাকি থাকায় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়নি।
বাইপাস দেখতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিল্লিতে সড়ক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ আধিকারিকদের বহুবার অনুরোধ করে মহালয়া থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত বাইপাস রাস্তাটি খুলে দিতে পেরেছি। আমি চেষ্টা করছি রাস্তাটি যাতে কালীপুজো পর্যন্ত খোলা থাকে।
এরপরই অধীর চৌধুরী একটি বুলেট চালিয়ে রাস্তা দেখতে বেরিয়ে পড়েন। যদিও বাইক চালানোর সময় অধীর চৌধুরীর মাথাতে কোনও হেলমেট ছিল না। তার পরিবর্তে সাংসদের মাথায় একটি সাধারণ কালো টুপি ছিল। সূত্রের খবর ওই টুপিটি সম্প্রতি তাঁকে ভারতীয় নৌসেনার তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ভিডিওটিতে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে অধীর চৌধুরী বাইক চালানোর সময় দুহাত ছেড়ে দিয়ে কখনও নমস্কার করছেন কখনও দুহাত পাশে তুলে স্ট্যান্ট দেখানোর চেষ্টা করছেন।
তার এই ভিডিও দেখে বহু নেট নাগরিক প্রশ্ন তুলেছেন একজন আইনসভার সদস্য কীভাবে আইন ভেঙে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালালেন। অধীর চৌধুরীর নিজে তার এই আইন ভাঙা কাজ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ওই রাস্তার সাথে আমার আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমি যখন বাইক চালিয়েছিলাম তখন সেখানে কোনও ট্রাফিক পুলিশ ছিল না। পুলিশ যদি মনে করে আমি অন্যায় কাজ করেছি, তারা আমাকে জরিমানা করতে পারে। আমি সেই টাকা দিয়ে দেব।
জেলা পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন-হেলমেট না পরে বাইক চালানোর জন্য ১০০০ টাকা এবং মোটর ভেহিকল আইনের ১৮৪ এবং ১৮৯ ধারা অনুসারে বিপদ্দজনকভাবে গাড়ি চালানো এবং স্ট্যান্ট দেখানোর জন্য আরও ৫০০০ টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে সাংসদের।
