বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

East Bengal: আবার এগিয়েও হার, সুপার সিক্সের পথ কঠিন হল ইস্টবেঙ্গলের

Sampurna Chakraborty | ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২১ : ৫৩


ইস্টবেঙ্গল - (বিষ্ণু)

ওড়িশা এফসি - (মরিসিও-পেনাল্টি, রেবেলো)

আজকাল ওয়েবডেস্ক: আবার সেই একই চিত্রনাট্য। এগিয়ে গিয়েও জোড়া গোল হজম। স্থান, প্রতিপক্ষ পরিবর্তন হলেও ভাগ্য বদলাল না লাল হলুদের। জামশেদপুরের পর ওড়িশা। বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সার্জিও লোবেরার দলের কাছে ১-২ গোলে হারল ইস্টবেঙ্গল। ৩২ সেকেন্ডে এগিয়ে গিয়েও জোড়া গোল হজম। আইএসএলে পরপর দুটো ম্যাচ জেতা হল না ক্লেইটনদের। যার ফলে ১৭ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরেই রইল লাল হলুদ। যা কার্লেস কুয়াদ্রাতের দলের সুপার সিক্সে ওঠার রাস্তা আরও কঠিন করে দিল। অন্যদিকে ১৭ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে একনম্বরেই বহাল ওড়িশা। আইএসএলের সাত ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে অপরাজিত ওড়িশা। ম্যাচ শেষে গ্যালারি থেকে আকার-ইঙ্গিতে কিছু বলতে দেখা যায় কুয়াদ্রাতকে। হয়তো রেফারিং নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলবেন। কিন্তু প্রতি ম্যাচে লিড নিয়েও ধরে রাখতে না পারার রোগ সারাতে হবে তাঁকেই। তবে এদিন শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়াই করে ইস্টবেঙ্গল। অন্তিমলগ্নে কয়েকটা সুযোগ এলেও কাজে লাগেনি। 

ইস্টবেঙ্গল-ওড়িশা ম্যাচ মানেই তুল্যমূল্য লড়াই। সুপার কাপে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর সার্জিও লোবেরার দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ইস্টবেঙ্গল। এদিন ওড়িশার প্রতিশোধের ম্যাচ ছিল। সুদে আসরে তোলেন লোবেরা। প্রথম মিনিট থেকেই অলআউট ঝাঁপায় দু"দল। তবে খেলা শুরুর বাঁশি বাজামাত্র ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন পিভি বিষ্ণু। ম্যাচের ৩২ সেকেন্ডে গোল। ভাসকুয়েজের থেকে বল পেয়ে ডান পায়ে রিসিভ করে তিনজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কাট করে ভেতরে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে গোলে রাখেন বিষ্ণু। আইএসএলের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের দ্রুততম গোল। এদিন ফেলিসিওকে সামনে রেখে ৪-১-৪-১ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। জোড়া হলুদ কার্ড দেখায় গ্যালারিতে ছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। বেঞ্চ সামলান তাঁর ডেপুটি দিমাস দেলগাডো। তবে এদিন লাল হলুদের প্রথম একাদশ অবাক করার মতো। নন্দকুমার, মহেশদের প্রথম একাদশে রাখা হয়নি। শুরু করেন বিষ্ণু, সুহের। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে বিষ্ণু নামার পর ম্যাচের গতি বদল হয়েছিল। গোল পায় ইস্টবেঙ্গল। তারই পুরস্কারস্বরূপ প্রথম একাদশে সুযোগ পান তরুণ স্ট্রাইকার। এদিনও শুরুটা দারুণ করেন। কিন্তু বিষ্ণুর অনবদ্য গোল কাজে লাগল না। 

শুরুতেই পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরায় আপ্রাণ চেষ্টা করে ওড়িশা। ১৫ মিনিটে রয় কৃষ্ণর শট সরাসরি তালুবন্দি করেন প্রভসুখন গিল। তার ৫ মিনিট পর রানাওয়াডের শট বাঁচান ইস্টবেঙ্গল কিপার। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি নরেন্দ্রর শট সাইড নেটে লাগে। বেশ কয়েকবার বক্সে ঢুকে পড়েন মরিসিও। ডানদিক সচল রাখেন অময়। কিন্তু প্রথমার্ধে ফিকে রয় কৃষ্ণ। লাল হলুদ রক্ষণে লাগাতার চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন মরিসিও ইসাকরা। প্যান্টিচ, চুংনুঙ্গার মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব প্রকট ছিল। যার ফায়দা তোলে ওড়িশা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে মরিসিওকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন রাকিপ। পেনাল্টি দেন রেফারি। ম্যাচের ৪০ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান মরিসিও। পেনাল্টি দেওয়া মাত্র গ্যালারি থেকে হাত নাড়তে দেখা যায় কুয়াদ্রাতকে।‌ বুঝিয়ে দেন রেফারির সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল ওড়িশার সামনে। ম্যাচের ৪২ মিনিটে অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায় রয় কৃষ্ণর গোল। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে খোলসের ভেতর ঢুকে যায় ইস্টবেঙ্গল। সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও বেশি আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলে ওড়িশা। বিরতির পর কার্যকরী ভূমিকা নেন রয় কৃষ্ণ। মূলত মরিসিও, ইসাক এবং রয়কে কেন্দ্র করেই আক্রমণ সেজে উঠছিল লোবেরার দলের। গোটা ম্যাচে আধিপত্য তাঁদেরই বেশি ছিল। ম্যাচের ৮১ মিনিটে প্রথম কর্নার পায় ইস্টবেঙ্গল। এর থেকেই একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ম্যাচের ৬১ মিনিটে ২-১ করেন প্রিন্সটন রেবেলো। জাহুর কর্নার থেকে তাঁর শট ভাসকুয়েজের পায়ের মাঝখান দিয়ে গোলে ঢুকে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ব্যবধান বাড়তে পারত। ৬৪ মিনিটে ইসাক রালতের শট বাঁচান প্রভসুখন। বেশ কয়েকবার পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় অমরিন্দরকেও। কিন্তু গোলমুখ খুলতে পারেননি ক্লেইটন, ফেলিসিও। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে মহেশের শট ফিস্ট করে বাঁচান অমরিন্দর। অন্তিমলগ্নে আরও একটি অনবদ্য সেভ ওড়িশা কিপারের। এদিন চোট সারিয়ে দীর্ঘদিন পর মাঠে ফেরেন হরমনজোৎ খাবড়া। কিন্তু দলকে তিন পয়েন্ট দিতে পারেননি। 



বিশেষ খবর

নানান খবর

Charlie Chaplin Birthday 2024 #charliechaplin #birthday #BirthAnniversary #aajkaalonline

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া