নিজস্ব সংবাদদাতা: আশ্বিনের শারদ দুপুর। পেঁজা তুলো মেঘের ফাঁকে সূয্যিমামার রক্তচক্ষু। সেদিন সপ্তাহান্ত। ঘামতে ঘামতেই বাঙালি ছুটছে পুজোর বাজার করতে। মিলির এসবে মন নেই। তার যে সামনে বিয়ে! আর সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে তোলপাড় কাণ্ড। বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে কী ঘটতে চলেছে? জানতে এনটি১ স্টুডিওয় আজকাল টেলিভিশন। সেখানে জি বাংলার নতুন ধারাবাহিক ‘মিলি’র শুট চলছে। ফড়িং এখন শান্তশিষ্ট...
ঝাঁঝাঁ দুপুরে স্টুডিও চত্বরে শুটিং। এত গরমেও চোখের আরাম ‘মিলি’ ওরফে খেয়ালি মণ্ডলের সাজ। পিচরঙা ড্রেসে স্নিগ্ধ নায়িকা। মানানসই পাথরের হাল্কা গয়না। ধারাবাহিক ‘আলতা ফড়িং’-এ খেয়ালি আরও চনমনে ছিল না? শুট শেষে প্রশ্ন রাখতেই রূপটান ঘরে বসে জবাব দিলেন তিনি। বললেন, ‘‘অবশ্যই তাই ছিলাম। কারণ, চরিত্রটই তেমন ছিল। ‘ফড়িং’ জিমন্যাস্টিক করত। মিলি অনেক শান্ত ঠিক আমার মতো।’’ দুটো ধারাবাহিকই রেটিং চার্টের প্রথম দশে। এগুলো বাড়তি চাপ? নায়িকার মতে, এই চাপটা না থাকলে কাজ করে সুখ নেই! পড়াশোনার সময়েও এই প্রতিযোগিতায় থাকতেন তিনি। চাপ সামলে কাজ করার অভ্যাস আছেদিল্লির ছেলেটা সুখী
তাঁর। দিল্লির ছেলেটা সুখী তিনি পর্দায় মানেই দুখি দুখি! ভেজা ভেজা চোখে বিরহের হাসি। কিন্তু বাস্তবে এমন নন অনুভব কাঞ্জিলাল। এই ধারাবাহিকের নায়ক ‘অর্জুন’। বড়পর্দা, সিরিজ পেরিয়ে যিনি ছোটপর্দায় পা রাখলেন। পর্দায় তিনি মারকুটে, প্রতিশোধপরায়ণ। বাস্তবে? নায়কের দাবি, ‘‘দিল্লির ছেলেটা খুব দুরন্ত। স্কুল-কলেজ দাপিয়ে বেড়াত। মারপিট করত। হিরোগিরি যাকে বলে। কলকাতায় সবাই এমন চরিত্র দিতে থাকলেন যে সেই ছেলেটা ভিতরে ভিতরে গুটিয়ে গেল! ‘মিলি’র ‘অর্জুন’ আর আমি এক। যেন ‘জোশ’-এর শাহরুখ খান! দিল্লির ছেলেটা খুব সুখী।’’ ছোটপর্দা তাঁকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবে, এমনই আশা অর্জুনের। জানিয়েছেন, নতুন মাধ্যমে এসে বেশ ভাল লাগছে তাঁর। লেবুজল আন…
ধারাবাহিক তারকাখচিত। সোমা চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, ধ্রুবজ্যোতি সরকার প্রমুখ। তাঁদের মধ্যে জ্বলজ্বল করছেন ঐন্দ্রিলা বসু। অনুভবের পর্দার বোন। পুজোর আগে ব্যাঙ্কিংয়ের চাপ। কাজে মন বসছে? প্রশ্ন রাখতেই মিষ্টি হাসি। চুলে ব্লো ড্রায়ার চালাতে চালাতে দাবি, এই এক জায়গায় আমরা আর সাংবাদিক বন্ধুরা এক। আপনারাও রাতদিন কাজ করেন, আমরাও। শুটের পাশাপাশি পুজো উদ্বোধন থাকে। আমি এসব উপভোগ করি। জানালেন পর্দার পিছনেও মেকআপ রুমেও সারাক্ষণ পর্দার ভাই-বোনের তু তু ম্যায় ম্যায় চলে। তুলনায় শান্ত খেয়ালি। ঐন্দ্রিলার কথা ফুরোতেই হঠাৎ অনুভবের হাঁক, ‘লেবুজল আন’! অভিনেত্রী সেটেই নেশা করেন নাকি? প্রশ্ন রাখতেই হেসে গড়িয়ে পড়লেন ঐন্দ্রিলা। অনুভবের রসিকতা, ‘‘করে তো, কাজের নেশা! একবার কাজে ঢুকে গেলে ওর কোনও হুঁশ থাকে না। তখন লেবুজল খাইয়ে হুঁশ ফেরাতে হয়।’’