আজকাল ওয়েব ডেস্ক :বহুকাল আগে থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় আমলকির উপকারিতা অপরিসীম। সর্দি-কাশিকে দূরে রাখে আমলকি।
এমনকী, ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের হাত থেকেও শরীরকে বাঁচায়। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায়, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে সাহায্য করে। এসব ছাড়াও শরীরের আর কী কী উপকার করে এই ফল? রইল তার হদিস।
১) আমলকিতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই উপাদানটি দেহে ফ্রি র্যাডিক্যালের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না।
২) মাথার ত্বকে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে আমলকি। চুলের ফলিকলে পুষ্টি পৌঁছতে সাহায্য করে যা নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
৩) আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করে। পেটের সমস্যা ও বদহজম রুখতেও দারুণ কার্যকরী। আমলকি কেটে শুকিয়ে রাখুন। সামান্য পরিমাণ নিয়ে এক গ্লাস জলে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
৩) প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি বাড়বে উজ্জ্বলতা। আমলকির জুস আপনার ওজন কমাতেও সাহায্য করে। বাড়াতে সাহায্য করে দৃষ্টিশক্তি। বাড়ির ছোট্ট সদস্যটিকেও দিতে পারেন এই রস। স্বাদে টক হলেও উপকার প্রচুর।
৪) আমলকি জিভের টক ও তেতো ভাব মুখে রুচি আনে। আমলকি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে মানসিক চাপও কমায়। কফের সমস্যা, বমিভাব, ঘুম না হওয়া, এমনকি ব্যথা-বেদনা দূর করতে আমলকি বেশ উপকারি।
৫) আমলকিতে রয়েছে ক্যারোটিন যা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে। প্রতিদিন আমলকি খেলে চোখের ছানির সমস্যা হবে না। চোখের নীচে ফোলাভাব নিমেষে হবে দূর। পাশাপাশি লালচে চোখ, চুলকানি এবং চোখ দিয়ে জল পড়ার সমস্যাতেও আরাম দেয়।
আমলকি কেটে ছোট ছোট টুকরো করে অল্প নুনের সঙ্গে মিশিয়ে রোদে শুকিয়ে রেখে দিতে পারেন। এটি সম্পূর্ণরূপে শুকিয়ে হয়ে যাওয়ার পরে একটি শুকনো পাত্রে সংরক্ষণ করুন। মুখশুদ্ধি হিসেবে খেতে পারেন এটি।
















