আজকাল ওয়েবডেস্ক: ৪০ বছর বয়সেও স্বপ্ন দেখা থামাননি কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা। ২০২৬ বিশ্বকাপে দেশের প্রথম অংশগ্রহণেই লেখেন ইতিহাস। যেমন মাঠে, তেমনই সোশ্যাল মিডিয়াতেও। স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্স রাতারাতি তাঁকে বিশ্বজুড়ে তারকা করে তুলেছে। বিশ্বকাপের গ্রুপ এইচ ম্যাচে স্পেন ২৭টি শট নিলেও একটিও গোল করতে পারেনি। কারণ একটাই, ভোজিনহার দুর্দান্ত গোলকিপিং। সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। ম্যাচ শেষ হয় গোলশূন্য ড্রয়ে। কেপ ভার্দেকে ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট এনে দেন।

এই ম্যাচের পরেই বদলে যায় তাঁর জীবন। আগে যেখানে ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারেরও কম, ম্যাচের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটা লাখ ছাড়িয়ে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছে যায়। পরবর্তীতে সেটা ৯ থেকে ১৪ মিলিয়নেরও বেশি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোজিনহা সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তার নিরিখে জার্মানির কিংবদন্তি গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়ারকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন। এমনকি মার্কিন তারকা টম ব্র্যাডিকেও অনুসারীর সংখ্যায় পেছনে ফেলেছেন।

প্রসঙ্গত, ভোজিনহার আসল নাম জোসিমার দিয়াস। তিনি ২৫ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবল শুরু করেন। যখন বেশিরভাগ ফুটবলারের কেরিয়ার স্থিতিশীল হয়ে যায়। তাঁর দীর্ঘ লড়াই, বিভিন্ন দেশে খেলা এবং জাতীয় দলে বছরের পর বছর পরিশ্রমের ফল মেলে এই বিশ্বকাপে। বিশ্ব ফুটবলে প্রায় অচেনা এক গোলকিপার থেকে বিশ্বজোড়া তারকা। ভোজিনহার এই উত্থান দেখিয়ে দেয়, বয়স কোনও বাধা নয়। আর সত্যিকারের নায়করা জন্ম নেন সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে।