আজকাল ওয়েবডেস্ক: হার্দিক পাণ্ডিয়ার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধ্যায় শেষ হওয়ার পথে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছ থেকে তাঁকে ট্রেডের মাধ্যমে দলে নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে অন্তত দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালস আগ্রহ দেখিয়েছে।
সংবাদ সংস্থাকে আইপিএল-এর এক সূত্র জানিয়েছে, কেকেআরের শীর্ষ কর্তারা এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মালিকপক্ষের মধ্যে হার্দিককে নিয়ে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে।
সূত্রের দাবি, গত মরসুমের শেষ দিকেই প্রথমবার মুম্বইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কেকেআর। তবে সে সময় রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বার্ষিক সাধারণ সভা সামনে থাকায় আইপিএল ট্রেড নিয়ে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি।
সূত্রের কথায়, ''অজিঙ্ক রাহানে কেকেআরের জন্য বরাবরই একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমাধান ছিলেন। তাঁকে এই মরশুমের পর ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সেই কারণেই হার্দিককে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ফের মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কেকেআর এবং ইতিমধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে।''
যদি হার্দিক পাণ্ডিয়া কেকেআরে যোগ দেন, তাহলে অধিনায়কত্বও তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে রিঙ্কু সিংকে পূর্ণসময়ের অধিনায়ক হিসেবে ভাবছে না নাইট শিবির।
তবে এই সম্ভাব্য ট্রেডে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স নগদ অর্থ চাইছে নাকি কোনও ক্রিকেটার বিনিময়ের প্রস্তাব বিবেচনা করছে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।
আইপিএলের ট্রেডিং নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্রিকেটার সরাসরি অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে ট্রেড নিয়ে আলোচনা করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে আলোচনা হতে পারে। তবে কোনও ট্রেড সম্পন্ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারের সম্মতি বাধ্যতামূলক। যদি কোনও খেলোয়াড় সম্মতি না দেন, তাহলে তাঁকে নিলামের পুলে ফিরিয়ে দিতে হয়।
এদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে আরেকটি আকর্ষণীয় প্রস্তাব এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের দাবি,রাজস্থান রয়্যালস হার্দিকের বদলে যশস্বী জয়সওয়ালকে ট্রেড করার প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও এই আলোচনা কতদূর এগিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
তবে রাজস্থান রয়্যালস দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তিতে রিয়ান পরাগকে অধিনায়ক হিসেবে গড়ে তুলতে আগ্রহী বলে জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সেখানে যোগ দিলেও হার্দিকের নেতৃত্বের সুযোগ পাওয়া কঠিন হতে পারে।
এই মুহূর্তে হার্দিকের পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে অনেকেই মনে করছেন কেকেআর-কে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখনও অপেক্ষা করতে হবে।















