আজকাল ওয়েবডেস্ক: বেলজিয়ামের গোলকিপার সেন্নে লামেন্সের একটি ভুল দলকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হারে রেড ডেভিলসরা। ৭০ মিনিটে পরিবর্ত গোলকিপার হিসেবে নামেন। বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের একনম্বর গোলকিপার কুর্তুয়া। এখানেই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে যায়। পাউ কুবারসির শট তালুবন্দি করতে পারেননি। ফিরতি শটে গোল করেন মিকেল মেরিনো। এই ভুলের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় লামেন্সের তুলোধোনা করা হয়। নেটমাধ্যমে ম্যান ইউয়ের গোলকিপারের সমালোচনা শুরু হয়। 

একজন লেখেন, 'ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গোলকিপার সেন্নে লামেন্স মারাত্মক ভুল করে। ও বলটা ছেড়ে দিয়েছে। যার ফলে ফিরতি বলে গোল করার সুযোগ পায় মেরিনো। ও আজ রাতে ভাল করে ঘুমোতে পারবে না।' আরেকজন খেলেন, 'আমি জানতে চাই, লামেন্স কি করে ম্যান ইউতে খেলে। আমার দেখে গোলকিপারদের জঘন্য ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম।' শুধুই যে তাঁর দিকে আঙুল তোলা হয়েছে, এমন নয়। আবার অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়ান। একজন লেখেন, 'মাথা উঁচু রাখো। বিশ্বের সেরা গোলকিপাররাও বিশ্বমঞ্চে ভুল করে। তুমি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে।' ২০০২ বিশ্বকাপে জার্মানির অলিভার কানের মারাত্মক ভুলের কথাও উল্লেখ করা হয়। 

ম্যাচ শেষে লামেন্সকে সান্ত্বনা দেন কুর্তুয়া। জড়িয়ে ধরেন তরুণ গোলকিপারকে। চোট পেয়ে বেলজিয়ামের একনম্বর কিপারের মাঠ ছাড়া ছিল অশনি সংকেত। আবারও জয়সূচক গোল করে উচ্ছ্বসিত স্পেনের সুপার সাব। মেরিনো বলেন, 'আমি আবার এটা করতে পেরেছি। আবার আমার সঙ্গে এটা হয়েছে। তাই ধরে নেওয়া যায়, কাকতালীয় বিষয় বারবার হতে পারে। যদি আমরা তৈরি থাকি, এবং চেষ্টা করি, সবার ক্ষেত্রেই এটা ঘটতে পারে। আমি খুবই সন্তুষ্ট।' জেতার পর স্পেনের কোচ লুইস ডে লা ফুয়েন্তে বলেন, 'এবার ক্ল্যাশ অফ জায়ান্টস।' ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একটি শট বাঁচাতে গিয়ে বাঁ পায়ের উরুতে চোট পান কুর্তুয়া। তার আগে চারটে নিশ্চিত গোল বাঁচান। কিন্তু মাঠ ছাড়ার চার মিনিট আগে চোট পেয়ে মাটিতে বসে পড়েন। হাইড্রেশন ব্রেকে তাঁর চিকিৎসা চলে। কিন্তু শেষপর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। চোখের জলে মাঠ ছাড়েন কুর্তুয়া। তখনই হয়ত দেওয়াল লিখন পড়ে ফেলেছিলেন।