আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মঞ্চ উজ্জ্বল করেন বৈভব সূর্যবংশী। তাঁর চওড়া ব্যাটে ভর করে জুনিয়রদের বিশ্বকাপ জেতে ভারত। এই নিয়ে মোট ষষ্ঠবার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। মারকুটে ইনিংসে ছিল ১৫টি ছয় এবং চার। মাত্র ৫৫ বলে শতরানে পৌঁছে যান। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতরানের মধ্যে অন্যতম। ৭ ম্যাচে ৪৩৯ রান করে টুর্নামেন্টের সেরা প্লেয়ার হন। স্ট্রাইক রেট ১৬৯.৫০। গড় ৬২.৭১। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড করেন। মোট ৩০টি ছয় মারেন। 

বিশ্ব ক্রিকেটের বিস্ময় বালক বলা হয় বৈভবকে। আইপিএলে দ্বিতীয় দ্রুততম শতরানের মালিক। ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে মাত্র ৩৫ বলে শতরান করেন ১৪ বছরের তারকা। ছাপিয়ে যান ইউসুফ পাঠানকে। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। আইপিএলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ার হিসেবে শতরানের নজির গড়েন। টপকে যান মণীশ পাণ্ডেকে। ৭ ম্যাচে ২৫২ রান করেন। গড় ৩৬। ২০৬.৫৬ স্ট্রাইক রেটে শেষ করায় গত আইপিএলে সুপার স্ট্রাইকার অফ দ্য সিজন পুরস্কার জেতেন। সেই পারফরম্যান্সের জন্য গাড়ি উপহার পেলেন। ঝাঁ চকচকে টাটা কার্ভ গাড়ি পান। যদিও কোন মডেলের গাড়ি সেটা এখনও জানা যায়নি। তবে দিল্লিতে এই ব্র্যান্ডের টপ মডেলের গাড়ির দাম ২২ লক্ষের বেশি। 

আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে হাতেখড়ি হয় সূর্যবংশীর। ১৪ বছর ২৩ দিনে কোটিপতি লিগের প্রথম ম্যাচ খেলেন। বর্তমানে আইপিএলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলবেন। আসন্ন মরশুমে তাঁর দিকে নজর থাকবে। অনূর্ধ্ব-১৯ একদিনের ক্রিকেটে ভারতের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী বৈভব। ২৫ ইনিংসে ১৪১২ রান। গড় ৫৬.৪৮। স্ট্রাইক রেট ১৬৫ এর বেশি। তারমধ্যে রয়েছে চারটে শতরান, সাতটি অর্ধশতরান। সর্বোচ্চ রান ১৭৫। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে শুধুই উত্থান। চেন্নাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলের হয়ে প্রথম নজর কাড়েন। ৫৮ বলে শতরান করেন। ইউথ টেস্টে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম। সেই শুরু। তারপর থেকে আর পেছন ফিরে তাকাননি।