আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ বি-র সুইজারল্যান্ড ও কাতার ম্যাচে ভিএআর নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
ম্যাচটি শেষপর্যন্ত ১-১ গোলে শেষ হয়। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের পেনাল্টি পাওয়ার সময়ে ভিএআর নিয়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা গিয়েছিল বলে জানিয়েছে ফিফা। তাদের দাবি, ওই বিভ্রাটের কারণে ম্যাচের সিদ্ধান্তে কোনও প্রভাব পড়েনি এবং সঠিক সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছিল।
কাতার ও সুইজারল্যান্ড ম্যাচের ১৪-তম মিনিটে ঘটনাটি ঘটে। কাতারের গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা বক্সের মধ্যে সুইস মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়েলারকে ফাউল করলে সুইজারল্যান্ডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়।
পেনাল্টি দেওয়ার আগে অফসাইড হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ভিএআর দুটি পৃথক পর্যালোচনা করে। শেষ পর্যন্ত মাঠের রেফারির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। তবে ম্যাচ চলাকালীন টেলিভিশন সম্প্রচারে ওই ভিএআর পর্যালোচনার কোনও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেখানো হয়নি।
পেনাল্টি থেকে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ব্রিল এম্বোলো। পরে ম্যাচের শেষ দিকে সমতা ফেরায় কাতার এবং ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়।
ম্যাচ শেষ হওয়ার তিন ঘণ্টারও বেশি সময় পরে এক বিবৃতি দিয়ে ফিফা জানায়, ''কাতার বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে দেওয়া পেনাল্টির আগে অফসাইড যাচাইয়ের সময় অনসাইড অ্যানিমেশন গ্রাফিক তৈরি করতে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হয়।''
ফিফা আরও জানায়, ''এই প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে ভিএআরের স্বাভাবিক কাজের প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়নি। ভিএআর কর্মকর্তারা নিয়ম মেনেই মাঠের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করেছেন। পেনাল্টির আগে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতিতে অফসাইড লাইন পরীক্ষা করে দেখা যায় সুইজারল্যান্ডের খেলোয়াড় অফসাইড ছিলেন না। ফলে মাঠের সিদ্ধান্ত বহাল রাখাই সঠিক ছিল।''
ফিফার এই ব্যাখ্যার পর বিতর্কের অবসান ঘটলেও ম্যাচ চলাকালীন ভিএআর সংক্রান্ত স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে ফুটবল মহলে।















