আজকাল ওয়েবডেস্ক: দেশের সর্বোচ্চ লিগ আইএসএল নিয়ে কী হবে? আদৌ কি আইএসএলের বল গড়াবে? এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) চালানোর জন্য ক্লাবগুলোকেই প্রয়োজনীয় খরচ বহন করার প্রস্তাব নাকি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। পরবর্তীকালে সেই অর্থ ক্লাবগুলো ফেরত পেতে পারে। এমন খবরও শোনা যাচ্ছে। তবে এই খবরে সরকারি সিলমোহর এখনও পড়েনি। আইএসএল নিয়ে জট খোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে প্রিমিয়ার লিগের আদলেই আইএসএল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ক্লাব জোটের পক্ষ থেকে। ১২টি ক্লাব প্রস্তাব দিয়েছিল। মোহনবাগানের নেতৃত্বে জোট বাঁধে ক্লাবগুলো। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল সেই প্রস্তাবে সায় দেয়নি।
ফেডারেশন সভাপতিকে লম্বা চিঠি পাঠানো হয়েছে ক্লাবজোটের পক্ষ থেকে। শুক্রবার সকালে আইএসএলে অংশগ্রহণকারী ক্লাবগুলো ভার্চুয়াল মিটিং করে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিল না ইস্টবেঙ্গলের কোনও কর্তা। তারপর কল্যাণ চৌবেকে ইমেল করে বিভিন্ন দাবি রাখা হয়। জানানো হয়েছে, নতুন টেন্ডার থেকেও যদি উপযুক্ত ইনভেস্টর না পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ইপিএলের ধাঁচে লিগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, আইএসএলের ক্লাবগুলো মিলেই একটি কনসোর্টিয়াম গড়ে লিগের মালিকানা এবং পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। তাঁদের সঙ্গে থাকবে এআইএফএফ এবং অন্যান্য স্পনসররা।
এর আগে ক্রীড়ামন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগ অর্থাৎ আইএসএল দ্রুতই শুরু হতে চলেছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য লিগও শুরু হবে। ক্রীড়ামন্ত্রী দেশের ক্লাবগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে আইএসএল শুরু হবে দ্রুতই।
তবে কীভাবে শুরু হবে, সেই সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে সব জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় ফুটবলের অনিশ্চয়তা কাটাতে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা ছিল। আইএসএল, আই লিগের ক্লাবদের নিয়ে বৈঠকের পাশাপাশি এফএসডিএল, বাকি বিডারদের সঙ্গেও আলোচনা হয়। আইএসএলের ভাগ্য এবার সুপ্রিম কোর্ট এবং কেন্দ্রের হাতে।
৮ ডিসেম্বর এফএসডিএল-এর সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে। তার পরই এই খবর ছড়িয়ে পড়েছে। যদি তাই হয়, তাহলে ক্লাবগুলোর কোর্টে এখন বল। ভারতীয় ফুটবল কোন খাতে সময় বলবে তা।
