আজকাল ওয়েবডেস্ক: তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক মানচিত্রে পরিবর্তন। সেখানে  হলুদ রংয়ের প্রাদুর্ভাব। চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে সাধারণত যে রং ও আবেগ জড়িত, সেই হলুদ ঢেউ এবার রাজনীতির ময়দানেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। থালাপথি বিজয়ের রাজনৈতিক অভিষেককে অনেকেই বলছেন একেবারে 'সিনেমার ব্লকবাস্টার'-এর মতো সাফল্য।
তবে তাঁর এই জয়কে ঘিরে একাংশ সমর্থকের দাবি, এর পিছনে রয়েছে 'ক্যাপ্টেন কুল' সুলভ কৌশল। 

গত বছর রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর টিভিকের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে বলেছিলেন, ''আমি তামিলনাড়ুর সবচেয়ে জনপ্রিয় বিহারি হতে চাই। তার জন্য আমাকে ধোনির মতো হতে হবে, যিনি সিএসকে-কে জেতান। আমি আপনাদের নেতার অধীনে টিভিকে-কে জেতাব।'' 

ধোনির নাম টেনে আনার মাধ্যমে কিশোর স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তেমনই তামিলনাড়ুর ক্রিকেটপ্রেমী জনতাকেও আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

টিভিকে-র নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হুইসল', যা সিএসকে সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। সিএসকের অ্যান্থেম হুইসল পোড়ু। পুরো নির্বাচনী প্রচার জুড়ে টিভিকের সমাবেশ যেন চিপকের গ্যালারিতে সিএসকে সমর্থকদের উল্লাসেরই রাজনৈতিক সংস্করণ হয়ে উঠেছিল।
অনেক তরুণ যাঁরা এবারই প্রথমবার ঙোট দিচ্ছেন, তাঁরা সমর্থন করেছেন থালাপাতি বিজয়কে। সেইরকমই আইপিএলে তাদের সমর্থন থাকে মহেন্দ্র সিং ধোনির দিকে। 

নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে টিভিকে যখন ১০০ পার করে, তখন বিজয়ের 'ফিনিশিং'-এর সঙ্গে ফিনিশার ধোনির মিল খুঁজে পান অনেকে। “ধোনি ফ্যাক্টর”-এর মধ্যেই রয়েছে এক ধরনের চ্যালেঞ্জও। ১০৮ আসন পাওয়া সত্ত্বেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮ আসনের ম্যাজিক ফিগার থেকে পিছিয়ে রয়েছে টিভিকে। ফলে রাজ্য রাজনীতি এখন এক ধরনের 'সুপার ওভার' পরিস্থিতির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে ক্ষমতার চাবিকাঠি নির্ভর করছে জোট ও সমঝোতার উপর।