আজকাল ওয়েবডেস্ক: একটা নয়, জোড়া সুপার ওভারে ম্যাচের নিষ্পত্তি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই প্রথম জোড়া সুপার ওভার। 

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করে করে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান। রান তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান ১৯.৪ ওভারে শেষ হয়ে যায় ১৮৭ রানে। 

ম্যাচ যায় সুপার ওভারে। সেখানেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় ফের ম্যাচ যায় সুপার ওভারে। সেখানে হৃদয় ভাঙে আফগানদের। 

শ্বাসরোধী ম্যাচ পেন্ডুলামের মতো দুলল দুই প্রান্তে। গ্রুপ অফ ডেথে দক্ষিণ আফ্রিকা কোনওরকমে ম্যাচ জিতল। 

প্রোটিয়া ব্রিগেডের রান তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে আফগানদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৩ রান। ১২ রান তুলতে সক্ষম হয় আফগানরা। টাই ম্যাচ যায় সুপার ওভারে। প্রথম সুপার ওভারে আফগানরা তোলে ১৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকাও সুপার ওভারে ১৭ রান করায় ম্যাচ যায় দ্বিতীয় সুপার ওভারে। 

দ্বিতীয় সুপার ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩ রান করে। আফগানরা ১৯ রান করতে সক্ষম হয়। সুপার ওভারে চার রানে জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। 

২০২৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতের বিরুক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি–টোয়েন্টিতে দু'বার সুপার ওভারে গিয়েও জিততে পারেনি আফগানিস্তান। বিশ্বকাপেও তাই হল। সুপার ওভারে ভাগ্য বিপর্যয় ঘটল। তবে এদিন আফগানিস্তান হেরে যাওয়ার ফলে সুপার এইটে ওঠা কঠিন হয়ে গেল। আফগানিস্তান টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে। কুইন্টন ডি কক (৫৯), রিয়ান রিকেলটনের (৬১) ব্যাটিংয়ে প্রোটিয়ারা ৬ উইকেটে ১৮৭ রান করে। 

সেই রান তাড়া করতে নেমে আফগান ওপেনার রাহমানউল্লা গুরবাজের মারমুখী ৪২ বলে ৮৪ রানে ১৯.৪ ওভারে আফগানিস্তান করে ১৮৭ রান। তার পরে চলে জোড়া সুপার ওভার নাটক। শেষ হাসি তোলা থাকল দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য।