ভারত-মার্কিন অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা হওয়ার পরেই মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় ভারতের একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছিল। সেখানে আকসাই চিন এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-কে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
2
8
৭ ফেব্রুয়ারি, শনিবার করা সেই পোস্ট চার দিন পরেই মুছে ফেলা হয়েছে সমাজমাধ্যম থেকে। বুধবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির অফিসের এক্স পোস্টটি অনেককে অবাক করে দিয়েছে। আচমকা ইউ-টার্নে হতভম্ব সকলে। নতুন পোস্টের মানচিত্র আগেরটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
3
8
শনিবারের মানচিত্রে পিওকে-সহ গোটা জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। চিনের দাবি কার অঞ্চল আকসাই চিনকেও ভারতের মধ্যে দেখানো হয়েছিল। এই সীমানা নির্ধারণ ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিষয়ে দীর্ঘদিনের অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল।
4
8
অন্তর্বর্তী বাণিজ্য চুক্তির পর আমেরিকা থেকে কোন কোন পণ্য অল্প শুল্কে বা কোনও শুল্ক ছাড়াই ভারতে ঢুকবে, তা দেখাতেই মানচিত্রটি প্রকাশ করেছিল আমেরিকার বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়। কিন্তু মানচিত্রে যে ভাবে ওই দুই বিতর্কিত অংশকে ভারতের মানচিত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তা দেখে মনে করা হয়েছিল যে, চিন এবং পাকিস্তানকে বার্তা দিতে চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
5
8
তবে, পোস্টটি মুছে ফেলার ফলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্নের প্রশ্ন উঠতে শুর করেছে। ভারত বা আমেরিকা কেউই মানচিত্র সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেনি।
6
8
যদিও ভারত আগেই জানিয়েছে, আঞ্চলিক দাবির জন্য কোনও বহিরাগত বৈধতার প্রয়োজন নেই। তবুই আমেরিকার ওই মানচিত্রের একটি কৌশলগত মূল্য ছিল। হোয়াইট হাউসের সিলমোহর ভারতের এই অবস্থানকে আরও পোক্ত করত বলেই মত অনেকের।
7
8
পিওকে-কে পাকিস্তান নিজের অংশ বলে দাবি করে থাকে। ভারত অবশ্য বার বারই বলে এসেছে যে, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ। ১৯৪৭ সাল থেকে পাকিস্তান ওই অংশটি দখল করে রেখেছে বলে দাবি ভারতের।
8
8
আকসাই চিনকেও চিন নিজের অংশ বলে দাবি করে। যদিও লাদাখের পূর্বতম অংশ হিসাবে আকসাই চিনকে স্বীকৃতি দেয় নয়াদিল্লি। যদিও শি জিনপিংয়ের দেশের দাবি, ওই এলাকা তাদের ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে।