আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু বিতর্ক পিছু ছাড়েনি। কলম্বোয় হঠাৎ নজর কাড়েন পাকিস্তানের স্পিনার। থমকে থমকে বল করতে দেখা যায় উসমান তারিককে। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। চাকিংয়ের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। কিন্তু পাশে পান রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। সমালোচনার মধ্যে তারিককে সমর্থন করেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিনার। গতবছর দু'বার আইসিসি তাঁর বোলিং অ্যাকশনকে ক্লিনচিট দেয়। কিন্তু তাসত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। 

পাক স্পিনারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে শ্রীবৎস গোস্বামী বলেন, 'পেনাল্টি নেওয়ার সময়ও আজকাল ফুটবলারদের থেমে যাওয়ার অধিকার নেই। তাহলে এটা কীভাবে সম্ভব? সব ঠিক আছে, কিন্তু থমকে যাওয়া? তাও আবার বল করার মুহূর্তে। এটা চলতে পারে না।' ফুটবলের প্রসঙ্গ মেনে নেন অশ্বিন। কিন্তু জানান, সব ক্ষেত্রে দুটো খেলার সঙ্গে তুলনা চলে না। অশ্বিন বলেন, 'মানছি ফুটবলে এটা মানা হয় না। কিন্তু আম্পায়ার এবং বোলারকে না জানিয়ে সুইচ হিট বা রিভার্স সুইপ করতে পারে বোলাররা। তাহলে যাবতীয় বাধা বোলারদের ক্ষেত্রে কেন? আম্পায়ারকে না জানিয়ে বোলার বোলিংয়ের হাত বদল করতে পারে না। সেই নিয়মটা আগে বদলানো উচিত।' 

অশ্বিন আরও বলেন, 'বিষয়টা স্পষ্ট করে বলতে চাই। ওর বোলিং বৈধ কিনা সেটা শুধুমাত্র আইসিসি বোলিং অ্যাকশন টেস্টিং সেন্টারে জানা যাবে। তাছাড়া একটা ১৫ ডিগ্রি নিয়ম আছে। সেখানে একজন বোলারকে কনুই সোজা রাখতে হয়। কিন্তু সেটা ১৫ ডিগ্রির মধ্যে থাকছে কিনা অন ফিল্ড আম্পায়ারের পক্ষে বোঝা সহজ নয়। থমকে যাওয়া আইনি কিনা প্রশ্নে আমার মনে হয়, এতে কোনও সমস্যা নেই। কারণ এটা ওর স্বাভাবিক অ্যাকশন।' 

তাঁকে নিয়ে শোরগোল পড়ে গেলেও কোনও হেলদোল নেই পাকিস্তানের স্পিনারের। দাবি করেন, তাঁর দুটো কনুই। তারিক বলেন, 'আমার হাতে দুটো কনুই। স্বাভাবিকভাবেই আমার কনুই বেঁকে যায়। আমি এটার জন্য ক্লিনচিট পেয়ে গিয়েছি। সবাই ভাবে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে করি। কিন্তু আমার কিছু করার নেই।' ৬ ফিট ৪ ইঞ্চির বোলারের ঝুঁলিতে ক্যারম বল থেকে শুরু করে লেগ স্পিন রয়েছে। রবিবার ভারত-পাকিস্তান মহারণ। তার আগে বারবার আলোচনায় উঠে আসছে তাঁর নাম। তারিকের দাবি, এটাই প্রমাণ করছে, চাপে আছে ভারত। তারিক বলেন, 'ওরা যদি এই নিয়ে আলোচনা করে, বুঝতে হবে ওদের ওপর বাড়তি চাপ আছে। আমি নিজের ক্রিকেট এবং প্র্যাকটিসে ফোকাস করছি।' রবিবারের মহারণে মুখ্য ভূমিকা নিতে পারেন তারিক।