আজকাল ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ভারত। তবে তার আগেই পাকিস্তান ম্যাচের ভাবনা ঢুকে পড়েছে ভারতীয় শিবিরে। কলম্বোর পিচ সাধারণত মন্থর। বোলারদের আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে ব্যাটারদেরও। মঙ্গলবার বিকেলে ফিরোজশাহ কোটলায় দুটো আলাদা নেটে বল করতে দেখা যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা কসরত করে। লম্বা টুর্নামেন্টের মধ্যে সচরাচর যা দেখা যায় না। কারণ বড় মুহূর্তগুলোর জন্য এনার্জি বাঁচিয়ে রাখে প্লেয়াররা। 

সাধারণত ভারতীয় ব্যাটিং নিয়েই চর্চা চলে। কিন্তু নামিবিয়া ম্যাচের দু'দিন আগে স্পটলাইটে ছিল বোলাররা। শুধুমাত্র অভিষেক শর্মা ছাড়া সবাই অনুশীলনে হাজির ছিল। দেখেই বোঝা যায়, শুধুমাত্র নামিবিয়া ম্যাচ নয়, পাকিস্তানের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। স্ট্র্যাটেজিতে কিছু বদল এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তেমন সমস্যায় পড়তে হবে না টিম ইন্ডিয়াকে। সূর্যকুমারদের আসল লড়াই শুরু রবিবার। বর্তমানে ভারতীয় দল যে উইকেটে খেলছে, তার থেকে পুরো আলাদা কলম্বোর পিচ। মানসিকভাবেও মানিয়ে নিতে হবে টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেটারদের। 

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের পিচগুলোতে বড় রান উঠছে না। কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামের পিচ মন্থর। সেটা মাথায় রাখছে ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক। তাই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ব্র্যান্ড থেকে বেরিয়ে, মন্থর পিচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চাইছে ক্রিকেটাররা। আশা করা যাচ্ছে, টুর্নামেন্টের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পিচের চরিত্র আরও বদলাবে। আরও স্লো হবে উইকেট। দুশখাতে বলেন, 'টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ ছয় দিন পিচের চরিত্র দেখার পর স্ট্র্যাটেজিতে কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা যেভাবে ভেবেছিলাম, পিচের চরিত্র তেমন নয়। আমরা দ্রুত মানিয়ে নিতে চাই। মুম্বইয়ে আমাদের আরও ভাল খেলা উচিত ছিল। আমরা অলআউট ঝাঁপাচ্ছিলাম। কিন্তু এইধরনের পিচে টেকনিক প্রয়োজন। আমার মতে, বোলাররা এখনও সেরা ফর্ম দেখাতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচের ভিত্তিতে বোলারদের পারফরম্যান্স বিচার করা যাবে না। বোলারদের থেকে আমাদের আরও বেশি প্রত্যাশা রয়েছে। বিশ্বমানের বোলাররা থাকার মানে এই নয় যে ব্যাটাররা ভুল করতে পারবে। সবসময় ২৫০ রান টার্গেট করলে, ভুল হতে বাধ্য। পরিস্থিতি বিবেচনা করে খেলতে হবে।' পিচের কন্ডিশনের ভিত্তিতে দল কম্বিনেশন ঠিক করা হবে। দলে চারজন অলরাউন্ডার আছে। তাই একাধিক বিকল্প রয়েছে গৌতম গম্ভীরের হাতে।