অনেক বাড়িতে দেওয়ালে বা তাকের উপর এমন ঘড়ি দেখা যায়, যা বহুদিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে। ব্যাটারি শেষ, কাঁটা থেমে আছে একই সময়ে, তবুও তা নামানো হয়নি।
2
9
বাস্তুশাস্ত্র ও ফেং শুই বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অচল ঘড়ি বাড়িতে রাখা ভাল নয় এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সংসারের ওপর।
3
9
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘড়ি সময়ের প্রতীক। সময় যেমন কখনও থেমে থাকে না, তেমনই মানুষের জীবনেও গতি থাকা উচিত। কিন্তু বাড়িতে যদি বন্ধ ঘড়ি ঝুলতে থাকে, তাহলে তা জীবনের অগ্রগতি থেমে যাওয়ার ইঙ্গিত বহন করে বলে মনে করা হয়।
4
9
বিশেষজ্ঞদের দাবি, এতে কাজের সাফল্য দেরিতে আসা, অর্থনৈতিক সমস্যা বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বাধা আসার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
5
9
ফেং শুইতেও একই ধরনের মত পাওয়া যায়। সেখানে বলা হয়েছে, বাড়ির প্রতিটি জিনিস শক্তির প্রবাহের সঙ্গে যুক্ত। সচল ও পরিষ্কার জিনিস ইতিবাচক শক্তি বাড়ায়, আর ভাঙা বা অচল জিনিস নেতিবাচক শক্তি তৈরি করতে পারে। একটি নষ্ট ঘড়ি ঘরের পরিবেশে স্থবিরতা আনতে পারে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে বসার ঘর বা শোবার ঘরে বন্ধ ঘড়ি রাখা একেবারেই অনুচিত বলে পরামর্শ দেওয়া হয়।
6
9
মনোবিজ্ঞানীরাও বলছেন, বাড়িতে অচল জিনিস জমে থাকলে তা অজান্তেই মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন চোখের সামনে থেমে থাকা ঘড়ি দেখলে অবচেতন মনে ‘থেমে যাওয়া’ বা ‘অপেক্ষা’ করার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। এতে কাজের প্রতি উৎসাহ কমে যাওয়া বা দেরি করার প্রবণতা বাড়তে পারে।
7
9
তবে বিশেষজ্ঞরা এটিও স্পষ্ট করেন, বিষয়টি বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল। এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ না থাকলেও অনেকে মানসিক স্বস্তির জন্য এই নিয়ম মেনে চলেন।
8
9
এক্ষেত্রে যদি ঘড়িটি শুধুমাত্র ব্যাটারি শেষ হওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে থাকে, তাহলে দ্রুত ব্যাটারি বদলে সচল করুন। আর যদি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়, তবে বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলাই ভাল।
9
9
বাড়িতে সব সময় সচল ও ব্যবহারযোগ্য জিনিস রাখলে ইতিবাচক এনার্জি থাকে।