আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিমানের টিকিট না পেয়ে ট্রেনেই আমেদাবাদ থেকে মুম্বই ফিরেছিলেন ক্রিকেটার শিবম দুবে। স্ত্রী ও এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে।
জানা গিয়েছিল, বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আমেদাবাদ থেকে মুম্বই আসার কোনও বিমানে আসন ছিল না। শিবম হাজার চেষ্টা করেও বিমান টিকিট পাননি। অগত্যা ট্রেনেই ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। ভোর ৫.১০ এর এক্সপ্রেস ট্রেনে থার্ড এসির টিকিট কেটে উঠে পড়েছিলেন। কেউ চিনতেও পারেননি দুবেকে। টিকিট পরীক্ষক হয়ত বুঝে গিয়েছিলেন। কিন্তু স্ত্রী’র উপস্থিত বুদ্ধিতে সে যাত্রায় বেঁচে যান দুবে।
এবার অবশ্য জানা যাচ্ছে, শিবমের এই সিদ্ধান্তের পিছনে অন্য একটি কারণ রয়েছে। সন্তান ও বাবাকে দেখার জন্য ছটফট করছিলেন দুবে। তাই আর অপেক্ষা করেননি। সতীর্থদের সঙ্গে বিমানে আসার কথা না ভেবে আগেভাগেই ট্রেনে করে চলে আসেন।
এক অনুষ্ঠানে দুবে বলেছেন, ‘বাড়ি ফিরে বাবা ও সন্তানকে দেখার জন্য মরিয়া ছিলাম। সেই কারণেই ফাইনালের পরদিন ভোরের ট্রেন ধরি। বাড়ি ফেরার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না।’
দুবে অবশ্য বিমানের টিকিটের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পাননি। তাই খুব ভোরের ট্রেনে ফিরে আসেন। জানা যায়, ট্রেন ছাড়ার ঠিক পাঁচ মিনিট আগে দুবে স্টেশনের বাইরে থাকা গাড়ি থেকে নেমে ট্রেনে ওঠেন। ফুলহাতা টি–শার্ট, টুপিতে দুবেকে চেনাই যায়নি। ওই ভোরে স্টেশনে ভিড়ও কম থাকে। তাই ওই সময়েই ট্রেন ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দুবে।
এদিকে, আইসিসি টি–২০ র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটারদের তালিকায় তিনি এক নম্বরে। কিন্তু বিশ্বকাপে সেই খেলাটা খেলতে পারেননি। কিন্তু গম্ভীরের জন্যই সেই মনের জোর পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছেন, ‘গোতি ভাই খুব সৎ। সব সময় স্পষ্ট কথা বলেন। কঠিন সময়ে গম্ভীর ভাই উৎসাহ দিয়েছিল। মনে সাহস দিয়েছিল। নিজের স্বাভাবিক কাজটাই করে যেতে বলেছিল।’ অভিষেকের কথায়, ‘গোতি ভাই বলেছিলেন, একটা ভাল ইনিংস ছন্দ ফিরিয়ে দেবে। একটা ভাল ইনিংস দলকে জেতাবে। ফাইনালে সেই কাজটা করতে পারায় খুব খুশি।’
