আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের পর বৈভব সূর্যবংশী এবং তাঁর সতীর্থদের প্রশংসায় ভরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৪ বছরের বিস্ময় বালকের কাঁধে চেপে বিশ্বজয় ভারতের। ফাইনালে ১০০ রানে ইংল্যান্ডকে হারায়। ৮০ বলে বিধ্বংসী ১৭৫ রান করেন বৈভব। দুর্ধর্ষ ইনিংসে ছিল ১৫টি চার এবং ১৫টি ছয়। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড করেন সূর্যবংশী। তাঁর এই পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নরেন্দ্র মোদি লেখেন, 'ভারতের ক্রিকেট প্রতিভা চকচক করছে। বিশ্বকাপ দেশে নিয়ে ফেরার জন্য অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় দলকে নিয়ে গর্বিত। গোটা টুর্নামেন্টে দল দারুণ খেলেছে। দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছে। এই জয় তরুণ ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রেরণা যোগাবে। ভবিষ্যতের জন্য প্লেয়ারদের শুভেচ্ছা রইল।'
টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আয়ুশ মাত্রে। কোনও সময় নষ্ট করেননি বৈভব। অধিনায়কের সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেন। শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি। ফেরেন অ্যারন জর্জ। কিন্তু দ্রুত নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরেন বৈভব। নবম ওভারে ১৮ রান নেন। ৩২ বলে অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করেন। এরপর থেকে ঝড় তোলেন। ১৭ ওভারে ফারহান আহমেদের বলে তিনটি ছয় এবং একটি চার মারেন। আয়ুশ মাত্রের সঙ্গে ১৪২ রানের জুটি বাঁধেন। ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের অর্ধশতরান সম্পূর্ণ করেন ভারত অধিনায়ক। কিন্তু পরের বলেই আউট হন। কিন্তু ইংল্যান্ডের বোলারদের স্বস্তি দেননি বৈভব। ৫৫ বলে একশো রানে পৌঁছে যান। ১৫০ রানের পথে রালফি অ্যালবার্টের ওভারে ২৭ রান নেন।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসকে টপকে সর্বাধিক ছয়ের রেকর্ডে গড়েন সূর্যবংশী। মোট ৩০টি ছয় মারেন। ২০২২ সালে ২২টি ছয় ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটারের। শেষদিকে কুন্ডু এবং কণিষ্ক চৌহান দলকে ৪০০ রানের গণ্ডি অতিক্রম করতে সাহায্য করে। রান তাড়া করতে নেমে টক্কর দিতে পারেনি ইংল্যান্ড। একটা সময় পর্যন্ত কালেব ফ্যালকোনারের কাঁধে ভর করে লড়াই চালায় থ্রি লায়ন্সরা। ৬৭ বলে ১১৫ রান করেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার। কিন্তু পাহাড়প্রমাণ রান তাড়া করতে নেমে তাঁর একার শতরান যথেষ্ট ছিল না। বেন ডকিন্স (৬৬) এবং বেন মায়েস (৪৫) ছাড়া ফ্যালকোনারকে কেউ সাহায্য করতে পারেনি।
