বিশ্বজুড়ে ফের আলোচনায় উঠে এসেছেন রহস্যময় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা। তাঁর একটি পুরনো ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড়সড় সংকট দেখা দিতে পারে। এই আর্থিক অস্থিরতার প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের জীবনে, বাজার ব্যবস্থায় এবং মূল্যবান ধাতুর দামের উপর।
2
9
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, ভবিষ্যতে কাগজের টাকা বা প্রচলিত অর্থব্যবস্থার উপর মানুষের ভরসা কমে যেতে পারে। বদলে সোনা, রুপো ও তামার মতো মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝোঁক বেড়েছে।
3
9
বাবা ভাঙ্গা এই ধরনের ধাতুকে 'নিরাপদ সম্পদ' হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। অর্থাৎ আর্থিক অনিশ্চয়তার সময় মানুষ এমন জিনিসে বিনিয়োগ করতে চাইবে যার মূল্য সহজে নষ্ট হয় না।
4
9
এই ভবিষ্যদ্বাণীর পরেই প্রশ্ন উঠছে, ২০২৬ সাল কি সত্যিই বিশ্ব আর্থিক সংকটের দিকে এগোচ্ছে? এবং যদি তাই হয়, তাহলে সোনা, রুপো ও তামার দাম কি আকাশছোঁয়া হবে?
5
9
বর্তমান বাজার পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই সোনার ও রূপার দামে ঊর্ধ্বগতি রয়েছে। বিশেষজ্ঞের ধারণা, যদি ভবিষ্যতে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয় বা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা বাড়ে, তাহলে সোনার দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।
6
9
২০২৬ সালের মধ্যে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। রুপোর ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, তামা শিল্পক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় তার চাহিদাও বাড়তে পারে।
7
9
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শুধুমাত্র ভবিষ্যদ্বাণীর উপর ভর করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।
8
9
সোনা বা রুপোর দাম বাড়ে অনেক বাস্তব কারণে যেমন আন্তর্জাতিক রাজনীতি, ডলারের মূল্য, সুদের হার, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের সিদ্ধান্ত ইত্যাদি। তাই বাজারের বাস্তব পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই শ্রেয়।
9
9
বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণী অতীতেও অনেক সময় আলোচনায় এসেছে, কারণ তাঁর কিছু কথা পরে মিলেছে বলেও দাবি করা হয়। তাই তাঁর ভবিষ্যৎদ্বাণী যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।