আজকাল ওয়েবডেস্ক: গোটা দেশের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে হাজির বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি কোর্ট চত্বরেই উপস্থিত রয়েছেন। বুধবার সকালে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাংলো থেকে বেরিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। গুরুত্বের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে মমতা ব্যানার্জির করা মামলাকে। এই কারণে এই মামলাটি ক্রমতালিকায় ওপরের দিকে এগিয়ে এসেছে ।  মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেহেতু নিজে মামলাটি করেছেন তাই তিনি এখানে আইনজীবী হিসেব সওয়াল করতে পারবেন না। তিনি আদালতের সামনে মামলাকারী হিসেবে কিছু কথা বলতে চাইবেন। সেটাই আদালতের কাছে আবেদন করা হবে। 


কোর্ট নম্বর ওয়ানে যে শুনানি দুপুর ১ টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল তার সময় আরও বাড়তে পারে। যদি ১ টার মধ্যে শুনানি শেষ না হয় তাহলে লাঞ্চ ব্রেকের পর এই মামলাটির শুনানি হবে বলেই খবর মিলেছে। তারপর যদি সুপ্রিম কোর্ট মমতা ব্যানার্জিকে মামলাকারী হিসেবে সওয়াল করার অনুমতি দেন তাহলে তিনি সেখানে তিনি নিজের কথা রাখতে পারবেন। 


তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে অন্য নথির উপর জোর না-দিয়ে আধার কার্ডকে পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণ করার আবেদনও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।   তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং দোলা সেনের মামলা শুনানির তালিকায় প্রথমের দিকে রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের শুনানির অতিরিক্ত তালিকায় রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির করা মামলা। অতিরিক্ত তালিকার ৩৬ নম্বরে রয়েছে কবি জয় গোস্বামীর মামলা। মমতার মামলা রয়েছে ৩৭ নম্বরে। 


তালিকা ধরে ধরে মামলার শুনানি হয়। তবে কোন মামলা আগে এবং কোনটি পরে শুনানি হবে, মামলার ধরণ এবং গুরুত্বের বিচারে বিচারপতিরা সেই সিদ্ধান্ত নেন। এক্ষেত্রে শুনানির তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর মামলা রয়েছে।


আবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, সে সম্পর্কে তিনি অবগত। তাই এই প্রক্রিয়াটিকে রিট পিটিশনের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মামলাটির নিষ্পত্তিতে আদালতকে সহায়তা করবে। এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনের জারি করা একাধিক নির্দেশ বাতিল করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছেন যাতে আদালত নির্দেশ দেয়, এসআইআর-এর পর সংশোধিত ভোটার তালিকার পরিবর্তে বর্তমান ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক।