ইস্টবেঙ্গল - 0
ওড়িশা এফসি - 0
সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: মুম্বইয়ের পর কলকাতা। ফের বিতর্কিত রেফারিং। আগেরদিন হাফ ডজন লালকার্ডের পর এদিন ইস্টবেঙ্গলের জোড়া পেনাল্টির আবেদন খারিজ করলেন রেফারি সেন্থিল নাথান। যার ফলে ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য ড্রয়ে। ১০ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে সাত পয়েন্টেই থাকল ইস্টবেঙ্গল। তবে আইএসএলে রেফারির মান নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন উঠে গেল। ম্যাচের ৯০ মিনিটে সিভেরিওর শট আমে রানাওয়াডের মাথায় লেগে মুর্তাদা ফলের হাতে লাগে। কিন্তু পেনাল্টি দেননি রেফারি। তার তিন মিনিটের মাথায় আবার পেনাল্টির আবেদন ইস্টবেঙ্গলের। ৯০+৩ মিনিটে বক্সের মধ্যে বিষ্ণুর জার্সি টেনে ফেলে দেন জেরি। কিন্তু রেফারি কর্ণপাত করেননি। ঘরের মাঠে দু"পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ায় হয়তো আফশোস করবেন কুয়াদ্রাত। তবে পরপর চার ম্যাচে ক্লিনশিট রাখা নিশ্চয়ই তৃপ্তি দেবে স্প্যানিয়ার্ডকে। নর্থ ইস্ট ম্যাচের পর জিততে না পারলেও পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত লাল হলুদ। ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের প্রশংসা করতে হবে। বিশেষ করে হিহাজির। এদিন প্রায় ১২ হাজার সমর্থক স্টেডিয়াম ভরিয়েছিল। শীতের রাতে ম্যাচ হলেও ঢাক-ঢোল নিয়ে হাজির ছিল ইস্টবেঙ্গল ভক্তরা। দলের সুপার সিক্সে শেষ করার সম্ভাবনা দেখেই আগ্রহ বেড়েছে লাল হলুদ জনতার। তবে রেফারির ভুলে পয়েন্ট খোয়াল ইস্টবেঙ্গল।
মুম্বইয়ের থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফেরার পর ঘরের মাঠে জয়ে ফেরার সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ওড়িশার বিরুদ্ধে অলআউট যাননি কুয়াদ্রাত। রক্ষণ সামলে আক্রমণে যায় লাল হলুদ। প্রথমার্ধ গোলশূন্য। এএফসিতে দারুণ ছন্দে থাকায় ওড়িশার ফুটবলারদের মনোবল তুঙ্গে ছিল। তবে ম্যাড়ম্যাড়ে দেখায় জাহু, রয় কৃষ্ণদের। কয়েকদিন আগেই যুবভারতীতে পুরোনো ক্লাবের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠেছিলেন ফিজির ফুটবলার। কিন্তু শুক্র সন্ধেয় কিছুটা ফিকে দেখাল। প্রথম ৪৫ মিনিট চোখেই পড়েনি। দ্বিতীয়ার্ধে মন্দের ভাল। প্রথমার্ধে মুম্বইয়ের একমাত্র সুযোগ ১০ মিনিটে। প্রভসুখনের হাতে তুলে দেন ইসাকা। আহামরি ফুটবল না হলেও প্রথমার্ধে সুযোগ বেশি ছিল ইস্টবেঙ্গলের। তারমধ্যে জোড়া সুযোগ নন্দকুমারের।
এদিন শুরু থেকেই দুই উইংয়ে মহেশ এবং নন্দকে খেলান কুয়াদ্রাত। কিন্তু নর্থ ইস্ট ম্যাচে দুরন্ত ফুটবলের পর থেকে পারফরম্যান্স গ্রাফ পড়তির দিকে। মুম্বই ম্যাচে নজর কাড়তে পারেননি নন্দ। ওড়িশার বিরুদ্ধেও সেই ঝাঁঝ ছিল না। ২৪ মিনিটে সামনে ওড়িশার কিপারকে পেয়েও তাঁর হাতে তুলে দেন নন্দ কুমার। চার মিনিট পর তারই পুনরাবৃত্তি। বিরতির আগে আরও একটা সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ফের সরাসরি কিপারের হাতে তুলে দেন বোরহা। একাধিক আক্রমণ হলেও নৈপুণ্যের অভাব। তেকাঠিতে রাখতে পারেনি লাল হলুদ ব্রিগেড। ক্লেইটন, নন্দকুমার, মহেশ গোল মিস করে। বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল আক্রমণের চাপ বাড়ালেও বিপক্ষের পায়ের জঙ্গলে আটকে যায়। ওড়িশার একমাত্র সুযোগ ৬১ মিনিটে। রয় কৃষ্ণর ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেনি জেরি। শেষমেষ গোল মিসের বহর এবং রেফারির দোষে বছরের শেষ ম্যাচেও জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের।
ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী
ওড়িশা এফসি - 0
সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: মুম্বইয়ের পর কলকাতা। ফের বিতর্কিত রেফারিং। আগেরদিন হাফ ডজন লালকার্ডের পর এদিন ইস্টবেঙ্গলের জোড়া পেনাল্টির আবেদন খারিজ করলেন রেফারি সেন্থিল নাথান। যার ফলে ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্য ড্রয়ে। ১০ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে সাত পয়েন্টেই থাকল ইস্টবেঙ্গল। তবে আইএসএলে রেফারির মান নিয়ে আরও একবার প্রশ্ন উঠে গেল। ম্যাচের ৯০ মিনিটে সিভেরিওর শট আমে রানাওয়াডের মাথায় লেগে মুর্তাদা ফলের হাতে লাগে। কিন্তু পেনাল্টি দেননি রেফারি। তার তিন মিনিটের মাথায় আবার পেনাল্টির আবেদন ইস্টবেঙ্গলের। ৯০+৩ মিনিটে বক্সের মধ্যে বিষ্ণুর জার্সি টেনে ফেলে দেন জেরি। কিন্তু রেফারি কর্ণপাত করেননি। ঘরের মাঠে দু"পয়েন্ট হাতছাড়া হওয়ায় হয়তো আফশোস করবেন কুয়াদ্রাত। তবে পরপর চার ম্যাচে ক্লিনশিট রাখা নিশ্চয়ই তৃপ্তি দেবে স্প্যানিয়ার্ডকে। নর্থ ইস্ট ম্যাচের পর জিততে না পারলেও পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত লাল হলুদ। ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের প্রশংসা করতে হবে। বিশেষ করে হিহাজির। এদিন প্রায় ১২ হাজার সমর্থক স্টেডিয়াম ভরিয়েছিল। শীতের রাতে ম্যাচ হলেও ঢাক-ঢোল নিয়ে হাজির ছিল ইস্টবেঙ্গল ভক্তরা। দলের সুপার সিক্সে শেষ করার সম্ভাবনা দেখেই আগ্রহ বেড়েছে লাল হলুদ জনতার। তবে রেফারির ভুলে পয়েন্ট খোয়াল ইস্টবেঙ্গল।
মুম্বইয়ের থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে ফেরার পর ঘরের মাঠে জয়ে ফেরার সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ওড়িশার বিরুদ্ধে অলআউট যাননি কুয়াদ্রাত। রক্ষণ সামলে আক্রমণে যায় লাল হলুদ। প্রথমার্ধ গোলশূন্য। এএফসিতে দারুণ ছন্দে থাকায় ওড়িশার ফুটবলারদের মনোবল তুঙ্গে ছিল। তবে ম্যাড়ম্যাড়ে দেখায় জাহু, রয় কৃষ্ণদের। কয়েকদিন আগেই যুবভারতীতে পুরোনো ক্লাবের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠেছিলেন ফিজির ফুটবলার। কিন্তু শুক্র সন্ধেয় কিছুটা ফিকে দেখাল। প্রথম ৪৫ মিনিট চোখেই পড়েনি। দ্বিতীয়ার্ধে মন্দের ভাল। প্রথমার্ধে মুম্বইয়ের একমাত্র সুযোগ ১০ মিনিটে। প্রভসুখনের হাতে তুলে দেন ইসাকা। আহামরি ফুটবল না হলেও প্রথমার্ধে সুযোগ বেশি ছিল ইস্টবেঙ্গলের। তারমধ্যে জোড়া সুযোগ নন্দকুমারের।
এদিন শুরু থেকেই দুই উইংয়ে মহেশ এবং নন্দকে খেলান কুয়াদ্রাত। কিন্তু নর্থ ইস্ট ম্যাচে দুরন্ত ফুটবলের পর থেকে পারফরম্যান্স গ্রাফ পড়তির দিকে। মুম্বই ম্যাচে নজর কাড়তে পারেননি নন্দ। ওড়িশার বিরুদ্ধেও সেই ঝাঁঝ ছিল না। ২৪ মিনিটে সামনে ওড়িশার কিপারকে পেয়েও তাঁর হাতে তুলে দেন নন্দ কুমার। চার মিনিট পর তারই পুনরাবৃত্তি। বিরতির আগে আরও একটা সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ফের সরাসরি কিপারের হাতে তুলে দেন বোরহা। একাধিক আক্রমণ হলেও নৈপুণ্যের অভাব। তেকাঠিতে রাখতে পারেনি লাল হলুদ ব্রিগেড। ক্লেইটন, নন্দকুমার, মহেশ গোল মিস করে। বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল আক্রমণের চাপ বাড়ালেও বিপক্ষের পায়ের জঙ্গলে আটকে যায়। ওড়িশার একমাত্র সুযোগ ৬১ মিনিটে। রয় কৃষ্ণর ক্রসে পা ছোঁয়াতে পারেনি জেরি। শেষমেষ গোল মিসের বহর এবং রেফারির দোষে বছরের শেষ ম্যাচেও জয় অধরা ইস্টবেঙ্গলের।
ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী
















