আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপে ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের একাধিকবার সাক্ষী থেকেছেন শহিদ আফ্রিদি। ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এমনই একটি ঘটনার কথা তুলে ধরলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক। যা এতদিন সম্পূর্ণ অজানা ছিল। সালটা ২০১১। মোহালিতে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল। আফ্রিদি জানান, স্টেডিয়ামের দর্শকরা কীভাবে ভারতীয় দলকে উদ্বুদ্ধ করে। পরিবেশ এমনই হয়েছিল, কাঁপতে শুরু করে পাকিস্তানের প্লেয়াররা। ব্যাট হাতে শুরুটা ভাল করলেও, ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। একটি পাকিস্তানি চ্যানেলের সঙ্গে আলোচনায় জানান, তাঁর দল ভারতকে হারানোর বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিল। বিশেষ করে যেভাবে শুরু করেছিল। কিন্তু মোহালির দর্শকরা এমন চাপ সৃষ্টি করে, কম্পন ধরে যায় দলে।
আফ্রিদি বলেন, '২০১১ সালের সেমিফাইনাল আমার স্পষ্ট মনে আছে। আমরা চণ্ডিগড়ে ভারতের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল খেলছিলাম। আমরা শুরুটা ভাল করেছিলাম। বিনা উইকেট হারিয়ে মহম্মদ হাফিজ এবং কামরান আকমল ৯০ রান করে। অধিনায়ক হিসেবে আমি টেনশনমুক্ত ছিলাম। ধরেই নিয়েছিলাম আমরা জিতব। কিন্তু প্রথম উইকেট হারানোর পর যেভাবে মোহালির দর্শকরা ভারতীয় দলকে উদ্বুদ্ধ করল, সেটা ভোলার নয়। আমাদের কয়েকজন ব্যাটার কাঁপতে শুরু করে। একজন নেতা এবং অধিনায়ক হিসেবে হাফিজকে আউট হতে দেখলাম। তারপর থেকে প্রত্যেক বলে আমাদের প্লেয়াররা বিপদে পড়ে। কারণ স্টেডিয়ামে এত আওয়াজ ছিল। আমরা প্রচণ্ড চাপে পড়ে যাই।'
ভারতের বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেও, সূর্যকুমার যাদবদের প্রশংসা করলেন আফ্রিদি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দাপুটে জয়ের পর টিম ইন্ডিয়াকে বাহবা জানায় পাকিস্তানের একাধিক প্রাক্তন তারকা। সেই তালিকায় সংযোজন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক। এর আগে ভারতীয় দলের প্রশংসা করেন জাভেদ মিয়াঁদাদ। মিয়াঁদাদ বলেন, 'শক্তিশালী ক্রিকেট পরিকাঠামোর ফল পাচ্ছে ভারত। দারুণ সব প্রতিভা উঠে আসছে। ব্যাটার, স্পিনার, ফাস্ট বোলারদের কোনও কমতি নেই। তরুণ প্লেয়ারদেরও খেলা সম্বন্ধে সতর্কতা আছে।' ভারতের সাফল্যের জন্য ড্রেসিংরুমের পরিবেশকেও কৃতিত্ব দেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি।
















