আজকাল ওয়েবডেস্ক: মহম্মদ সামিকে আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান অজিত আগরকর ও তাঁর দলবলকে বঙ্গপেসারের নাম উল্লেখ করতেই হবে। যে ঘরোয়া ক্রিকেটের কথা নির্বাচকরা বলে আসছেন, সেই ঘরোয়া ক্রিকেটে সামি ঘাম ঝারাচ্ছেন। নাগাড়ে বোলিং করে চলেছেন। সাফল্য এনে দিচ্ছেন বাংলাকে। এর পরেও কি তাঁকে উপেক্ষা করা সম্ভব? হয়তো নয়। সেই কারণেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বনবাস পর্ব কাটছে সামির। জাতীয় দলে তিনি ফিরতে চলেছেন আবার।
এই ক'দিনে সামি বলকে কথা বলিয়েছেন। উইকেট নিয়েছেন। ওভারের পর ওভার বল করে দেখিয়েছেন তিনি পুরোদস্তুর ফিট।
রঞ্জি ট্রফিতে ১৪৫.২ ওভার হাত ঘুরিয়েছেন বঙ্গপেসার। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ২৬.৫ ওভার। চলতি বিজয় হাজারে ট্রফিতে ৩৪.২ ওভার। পুরোদস্তুর ফিট না হলে কি দুশো ওভারের বেশি বল করতে পারতেন সামি?
অজিত আগরকরের দিকে সামি নিয়ে প্রশ্ন উড়ে এলে তিনি বলতেন, ''আরেকটু খেলতে হবে সামিকে।'' এর পরে কি বলবেন নির্বাচকরা? কী বলবেন অজিত আগরকর?
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শেষবার খেলেছেন বঙ্গপেসার। ৯টি উইকেট নেন তিনি। তার মধ্যে সেরা স্পেল ৫৩ রানে ৫ উইকেট।
অনেকেই হয়তো বলবেন বয়স থাবা বসিয়েছে। এই বয়সে কি সামি আরে মতো আগুন ঝরাতে পারবেন? সেই সব নিন্দুকদের মনে করিয়ে দেওয়া যায়, মিচেল স্টার্ক এই ৩৫-এও প্রতিপক্ষের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে পারেন। স্কট বোল্যান্ড ৩৬-এও আগ্রাসী বোলিং করতে পারেন। তাহলে সামি পারবেন না কেন?
২০২৩ বিশ্বকাপে সামি আগুন জ্বালিয়েছেন। দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন। বিশ্বকাপের পরে অস্ত্রোপচার সামিকে মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। কিন্তু ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় সামি নিজেকে উজাড় করে দেন। তাঁর জন্য জাতীয় দলের দরজা এবার হয়তো খুলতে চলেছে। পারফরমারদের আটকে রাখা যায় না। মহম্মদ সামি সেটাই দেখিয়ে দিলেন।
