মার্চের মাঝামাঝি পৌঁছানোর আগেই খেলা দেখাতে শুরু করে দিয়েছে সূয্যি মামা! তরতরিয়ে চড়ছে পারদ। কিন্তু পকেটের কথা ভেবে এখন থেকেই দেদার এসি চালাবেন কিনা ভাবছেন? তাহলে মাথায় রাখুন এই সহজ কিছু টিপস। শরীর থাকবে ঠান্ডা, আবার পকেটেও চাপ পড়বে না। ছবি- সংগৃহীত
2
7
এসির তাপমাত্রা সবসময় ২৪ ডিগ্রিতে সেট করে রাখুন। গরম পড়লেও এর থেকে তাপমাত্রা কমাবেন না। এতে ঘর ঠান্ডাও থাকবে আবার বেশি ইলেক্ট্রিসিটি খরচ হবে না। ছবি- সংগৃহীত
3
7
টাইমার ব্যবহার করুন। বর্তমান সময়ে কম বেশি সমস্ত এসিতেই টাইমার থাকে। কয়েক ঘণ্টার জন্য টাইমার সেট করে রাতে ঘুমান। এতে গোটা রাত এসি চলবে না। আর বিলও বেশি আসবে না। ছবি- সংগৃহীত
4
7
এসি চালালে ঘর একদম বন্ধ রাখুন। দরজা জানালা বিন্দুমাত্র খোলা রাখবেন না। এতে ঠান্ডা হাওয়া বাইরে। বের হবে না। ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে। ছবি- সংগৃহীত
5
7
কেবল এসি না চালিয়ে ফ্যানও চালান। এতে এসির হাওয়া দ্রুত সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়বে। চাপ কম পড়বে মেশিনের উপর। বিদ্যুৎও কম খরচ হবে। ছবি- সংগৃহীত
6
7
এসি সার্ভিসিং করান নিয়মিত। ধুলো ময়লা জমলে তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় না ঘর। এদিকে বিদ্যুৎ খরচ হতেই থাকে। ফলে বিল বেশি আসে। ছবি- সংগৃহীত
7
7
একটানা এসি চালানো থেকে বিরত থাকুন। এক দুই ঘণ্টা চালিয়ে ফের এক দুই ঘণ্টা এসি বন্ধ রাখুন। ঘরের দরজা জানালা না খুললে ঘর ঠান্ডা থাকবে। আবার এতে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হবে না। ছবি- সংগৃহীত