আজকাল ওয়েবডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে মেরি কমের জীবন চর্চায়। বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনেন অলিম্পিয়ান। এবার তার পাল্টা দিলেন কারুং অনখোলের। মেরি কম দাবি করেন, প্রাক্তন স্বামী তাঁর সঙ্গে কোটি টাকার প্রতারণা করেছে। তাঁর টাকায় জমি কেনেন অনলার। যাবতীয় অভিযোগ ভুয়ো বলে দাবি করেন মেরি কমের স্বামী। বরং, পাল্টা মারাত্মক অভিযোগ আনেন অলিম্পিয়ানের ওপর। দাবি করেন, মেরি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে ছিলেন। অনলার জানান, প্রায় এক দশক ধরে তাঁদের সম্পর্কে এবং বিবাহে চিড় ধরে। জানান, ২০১৩ সালে প্রথমবার একজন জুনিয়র বক্সারের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন মেরি। যার ফলে পরিবারে সমস্যার সূত্রপাত হয়। তারপর সমঝোতায় যান। তারপর কয়েক বছর ঠিকঠাক চলে। আবার ২০১৭ সালে আরও একটি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ান মেরি। নিজের বক্সিং অ্যাকাডেমির এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এক সাক্ষাৎকারে অনলার বলেন, 'ও লোক আদালতে যা বলেছে সেটা নিয়ে আলোচনা করব। প্রথমত, ২০১৩ সালে একজন জুনিয়র বক্সারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। আমাদের পরিবারে লড়াই হয়। তারপর আমরা সমঝোতায় আসি। ২০১৭ সাল থেকে মেরি কম বক্সিং অ্যাকাডেমিতে কর্মরত একজনের সঙ্গে আবার সম্পর্কে জড়ায়। প্রমাণ হিসেবে ওদের ওয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আমার কাছে আছে। ওর যার সঙ্গে সম্পর্কে ছিল, তাঁর নামও আছে আমার কাছে। কিন্তু আমি এতদিন চুপ ছিলাম।'
অতীত ভুলে মেরি কম এগিয়ে যেতে চাইলে, তাতে কোনও সমস্যা নেই তাঁর প্রাক্তন স্বামীর। তবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ আনা মেনে নিতে পারছেন না। অনলার বলেন, 'ও একা থেকে আরও একটা সম্পর্কে জড়াতে চেয়েছিল। আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। ও আবার বিয়ে করতে চাইলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে যেন অভিযোগ না করে। আর যদি অভিযোগ জানাতেই হয়, প্রমাণ অনুক। পেপার দেখাক। আমি জানি ও কোথায় এবং কার সঙ্গে থাকে।' প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এনেছিলেন মেরি। যা ভুয়ো বলে দাবি করেন অনলার। তিনি বলেন, 'ও সম্পত্তি থেকে আমার নাম মুছে ফেলেছে। ও বলেছে, আমি পাঁচ কোটি চুরি করেছি। আমার অ্যাকাউন্ট দেখুন। আমরা ১৮ বছরের বৈবাহিক সম্পর্কে ছিলাম। তারপর এই। ও পাগল। আমার কি আছে? আমার বাড়ি দেখুন। আমি দিল্লিতে ভাড়া বাড়িতে থাকি। ও সেলিব্রিটি। ও যাই বলুক না কেন, কেউ শুনবে, কেউ শুনবে না।' অনলার জানান, নিজের বিয়ের আংটি খুলে ফেলেছেন তিনি। দাবি করেন, মেরি কম একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে মানতে পারেননি।
