আজকাল ওয়েবডেস্ক: মরোক্কো থেকে আনা হয়েছিল হামিদ আহদাদকে। জাপানি বোম্বার হিরোশিকেও আনা হয়েছিল। 

দুই স্ট্রাইকারই ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ছাপ কাটতে ব্যর্থ হয়েছেন। হামিদকে আগেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। 

দিমিত্রিয়স ডিয়ামান্টাকোসের জায়গায় নেওয়া হয়েছিল হিরোশিকে। রোগা, লম্বা, ছিপছিপে চেহারার জাপানি স্ট্রাইকারের ডার্বি দিয়ে কলকাতা ময়দানে অভিষেক হয়। শিল্ডের বড় ম্যাচে খেলেন। তাঁর দীর্ঘকায় চেহারা ভয় ধরায় বিপক্ষের ডিফেন্ডারদের। নেমেই গোল পেয়ে যাওয়ার মতো জায়গায় পৌঁছেও গিয়েছিলেন। তবে শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল কর্তা থেকে সমর্থকদের আশা পূর্ণ করতে পারেননি। সম্পূর্ণ ফিট নয়। চোট রয়েছে জাপানির। তাছাড়াও ডিয়ামানটাকোসের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেননি। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে আইএসএল। দেশের একনম্বর লিগ শুরু হওয়ার আগেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল ইস্টবেঙ্গল। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কেবল সময়ের অপেক্ষা। 

তাঁদের শূন্যস্থান পূরণ করতে ইস্টবেঙ্গলের নজর এখন ব্রাজিলের দিয়েগো মরিসিও ও উরুগুয়ের হর্হে ডিয়াজের দিকে। এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

দুই স্ট্রাইকারের মধ্যে যে কোনও একজন নাকি উভয়ই লাল-হলুদ জার্সিতে নেমে পড়বেন, তা এখনও স্থির হয়নি। নাকি অন্য কাউকে দেখা যাবে ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে?

শোনা যাচ্ছে, আফ্রিকান স্ট্রাইকারেরও খোঁজে রয়েছে লাল-হলুদ। এদিকে ওড়িশার জার্সিতে নজরকাড়া দিয়েগো সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব পারসেবায়া সুরাবায়াতে যোগ দিয়েছেন। তিনি কি লাল-হলুদে আসবেন? যেই আসুন, সমর্থক থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল কোচ, সবাই সংশ্লিষ্ট স্ট্রাইকারের কাছ থেকে গোল চাইবেন, এ কথা বলাই বাহুল্য। 

হামিদ ও হিরোশির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলের এখন দরকার বিদেশি স্ট্রাইকার। হর্হে দিয়াজ ও দিয়েগো মরিসিও দু'জনেই দীর্ঘদিন ধরে খেলছেন ভারতীয় ফুটবলে। গোল চেনেন তাঁরা। হামিদ ও হিরোশি সফল হননি লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর ক্লাবে। গোল করার লোকের অভাবে হাতছাড়া হয়েছে আইএফএ শিল্ড ও সুপার কাপ। আইএসএলের দুন্দুভি বেজে গিয়েছে। এই টুর্নামেন্টে সফল হতে হলে গোল চাই। মরিসিও-দিয়াজ নাকি অন্য কেউ, শেষ পর্যন্ত কী হয়, সেটাই এখন দেখার।