আজকাল ওয়েবডেস্ক: ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে আবার খারাপ খবর। ভারতের কাছে হেরে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এবার আবার বড় ধাক্কা। আবার বাইশ গজে ম্যাচ গড়াপেটা। নিশানায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন ফুটবলার এবং দু'জন কর্তা। তবে সিনিয়র দলের ক্রিকেটাররা নয়। ২০২৩-২৪ বিম ১০ টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। ক্যারিবিয়ান টুর্নামেন্টে দলের মালিক চিত্তরঞ্জন রাঠোর, কর্তা ট্রেভন গ্রিফিথ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার জেভন সিয়ারলসের বিরুদ্ধে গড়াপেটার অভিযোগ ওঠে। আইসিসির বিবৃতি অনুযায়ী, বিম ১০ টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। এটা ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্নীতিগমন শাখার অন্তর্ভুক্ত। টাইটান্স ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকের বিরুদ্ধে তিনটে অভিযোগ উঠেছে। জেভনের বিরুদ্ধে চারটে অভিযোগ। গ্রিফিথের বিরুদ্ধেও চারটে। 

ম্যাচ গড়াপেটা এবং রেজাল্টে প্রভাব ফেলার দোষ এই তিনজনের বিরুদ্ধে। বাকি সতীর্থ ক্রিকেটার এবং কর্তাদের প্রভাবিত করার অভিযোগও রয়েছে তিনজনের বিরুদ্ধে। এছাড়াও তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করেনি তাঁরা। গ্রিফিথের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন এবং তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ ওঠে। অনির্দিষ্টকালের জন্য তিনজনকে নির্বাসিত করা হয়েছে। ১১ মার্চ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে হবে। শুধু একটি ম্যাচে নয়, এই টুর্নামেন্টের অন্য ম্যাচেও গড়াপেটার অভিযোগ ওঠে। জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার অ্যারন জোন্সের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ উঠেছিল। তবে আইসিসি এই গড়াপেটা বিষয়ে কোনও বিবৃতি দেয়নি।

প্রসঙ্গত, দেশে ফিরছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার চারদিন পর আইসিসির পক্ষ থেকে এই খবর জানানো হয়। যুদ্ধের জন্য এয়ারস্পেস বন্ধ থাকায় ভারত ছাড়তে পারেনি দুই দেশের ক্রিকেটাররা। আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, 'গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ আফ্রিকার বাকি ২৯ জন সদস্য এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৬ জন নিজেদের দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে শেষপর্যন্ত বিশ্বকাপ খেলিয়ে সব দলের প্লেয়ারদের বাড়ি ফেরানো সম্ভব হয়েছে।'