আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে বনবাস পর্ব কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরবেন মহম্মদ সামি।
শনিবার নির্বাচকরা কিউয়ি সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছেন। সেই দলে জায়গা হয়নি মহম্মদ সামির। তিনি উপেক্ষিতই থেকে গিয়েছেন। মহম্মদ সামির ভবিষ্যৎ কী? জাতীয় দলের দরজা না খোলায় প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে সামির পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আরেক প্রাক্তন বোলার ইরফান পাঠান।
ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বিজয় হাজারে ট্রফিতে সামি নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেছেন। দুশো ওভারের বেশি বল করেছেন। সাফল্যও পেয়েছেন। কিন্তু জাতীয় দলে সুযোগ পাননি। এই প্রেক্ষিতে ইরফান পাঠান বঙ্গপেসারের পাশে দাঁড়িয়ে বলছেন, ''সব থেকে বেশি চর্চা হচ্ছে সামিকে নিয়ে। ওর ভবিষ্যৎ কী? সামি এরকম প্লেয়ার নয় যে গতকাল খেলতে এসেছে। কিছু ম্যাচ খেলে সরে গিয়েছে। ৪৫০-৫০০ আন্তর্জাতিক উইকেট নিয়েছে। যেটা বিশাল। চারশোর বেশি উইকেট নেওয়ার পরে কেউ যদি বাদ পড়ে এবং তার ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে,তাহলে সবার ক্ষেত্রেই তা হতে পারে। যতদিন ক্রিকেট খেলবে, ততদিন নিজেকে প্রমাণ করতে হবে।''
অজিত আগরকরকে যতবারই সামি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, ততবারই নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান বলেছেন, সামিকে আরেকটু ক্রিকেট খেলতে হবে। সেই সামি ঘরোয়া ক্রিকেটে ২০০ ওভারের বেশি বল করেছেন। সেই প্রসঙ্গে পাঠান বলছেন, ''সামি ইতিমধ্যেই ২০০ ওভারের বেশি বল করেছে। ২০০ ওভার বল করার পরেও ফিটনেস নিয়ে যদি প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কীইবা বলার থাকতে পারে। এর থেকে আর বেশি কীভাবে উন্নতি করা সম্ভব? সিলেকশন কমিটি একমাত্র জানে ওরা কী চায়। সামির জায়গায় যদি আমি থাকতাম, তাহলে আইপিএলে নেমে পড়তাম এবং নিজেকে উজাড় করে দিতাম। নতুন বলে উচ্চমানের পারফরম্যান্স তুলে ধরতাম।''
পাঠান মনে করেন ঘরোয়া টুর্নামেন্টের পাশাপাশি আইপিএলেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করুক সামি। পাঠানের সংযোজন, ''ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্স নিয়ে চর্চা হয় ঠিকউ। কিন্তু আইপিএলে নিজের পুরনো ছন্দ ও ফিটনেস দেখাতে পারলে কেউই উপেক্ষা করতে পারবে না। আইপিএল দেখে গোটা বিশ্ব। সেই টুর্নামেন্টে পারফর্ম করতে পারলে, স্কোয়াডে ফিরে আসা সম্ভব। আমি মনে করি সামির দরজা এখনও বন্ধ হয়ে যায়নি।''
ভারত-নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচের সিরিজ শুরু হচ্ছে ১১ জানুয়ারি থেকে।
