আজকাল ওয়েবডেস্ক: শুক্রবার বিকেলে আংশিক ভর্তি স্টেডিয়ামে হল মোহনবাগান-ওড়িশা ম্যাচ। এদিন যুবভারতী ভরায় প্রায় ২০ হাজার সমর্থক। গোটা স্টেডিয়ামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল সবুজ মেরুন সাপোর্টাররা। কোনও নির্দিষ্ট গ্যালারি বন্ধ রাখা হয়নি। ৬৫ হাজারের স্টেডিয়ামে মোট ১৭ হাজার টিকিট সমর্থকদের জন্য ছাড়া হয়। বেশ কিছু টিকিট বিক্রির জন্য বাজারেও ছাড়া হয়। বাকি ভিভিআইপি, ভিআইপি মিলিয়ে প্রায় ২১ হাজার দর্শকআসন ছিল এদিনের ম্যাচে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার পক্ষ থেকে সদস্যদের দুটি করে টিকিট দেওয়া হয়। মিডল টায়ারে বেশিরভাগ অংশ সমর্থকে ভরা। গ্যালারিতে মোহনবাগানের বিভিন্ন ফ্যান ক্লাবের পতাকায় মোড়া থাকলেও, এদিন কোনও টিফো চোখে পড়েনি। শুক্র বিকেলে খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। ছিলেন মোহনবাগান ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্ত এবং সচিব সৃঞ্জয় বসু। একাধিকবার বাগান সভাপতিকে গোয়েঙ্কার সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।
সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নির্দেশিকায় প্রাথমিকভাবে ফাঁকা স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল মোহনবাগান-ওড়িশা ম্যাচ। কিন্তু শেষপর্যন্ত মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের রিভিউ পিটিশনের পর আংশিক স্টেডিয়াম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, চেন্নাইন ম্যাচে সমর্থকদের আচরণের জন্য এক লক্ষ টাকা জরিমানা করার পরও কড়া শাস্তি ঘোষণা করে ফেডারেশন। দোলের দিন এমন সিদ্ধান্ত জানানো হয়। যার ফলে সরব হন মোহনবাগান কর্তা থেকে শুরু করে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ম্যানেজমেন্ট। বাগান কর্তারা জানিয়েছিলেন, ম্যাচ বয়কট করবে। এমনকী ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামের বাইরে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ জানানোর কথাও ভাবা হয়। মঙ্গলবার মোহনবাগান সচিব সৃঞ্জয় বসু বলেছিলেন, 'সাপোর্টারদের যদি খেলা দেখার অনুমতি না থাকে, তাহলে আমরাও যাব না। বিক্ষোভ দেখানো উচিত। আমরা কালো ব্যাজ পরে বিক্ষোভ দেখাতে পারি। অপদার্থ ফেডারেশন। ফুটবলে লাটে তুলে দিচ্ছে। এতদিন ধরে আনোয়ারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এতদিন পর্যন্ত ফেডারেশন যা সিদ্ধান্তে নিয়েছে, সেটা হিতে বিপরীত হয়েছে।' অবশ্য কোনও পদক্ষেপ নিতে হয়নি বাগান কর্তাদের। তার আগেই আংশিক দর্শকে ম্যাচ করার অনুমতি দেয় সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।
