আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। বৃহস্পতিবার ধর্মশালায় পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারায় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। মুম্বইয়ের হারানোর কিছু ছিল না। কিন্তু টানা পাঁচ হারে প্লে অফের দৌড়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে পাঞ্জাব। ম্যাচের পর শার্দুল ঠাকুরের একটি মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে নিজের রেকর্ড নিয়ে মুখ খোলেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেখানে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে শার্দুলের পারফরম্যান্সের প্রসঙ্গ ওঠে। বিপক্ষে পাঞ্জাব থাকলেও জ্বলে ওঠেন তারকা পেসার। এর রহস্য কী? প্রশ্ন এবং উত্তরের মধ্যে সময়ের বিশেষ পার্থক্য ছিল না। মুহূর্তের মধ্যে শার্দুল বলেন, 'আমাকে দলের বাইরে রাখা হয়েছিল। বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এটা সেই রাগ।' 

পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ৩৯ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন মুম্বইয়ের পেসার। পাঞ্জাব শুরুটা ভাল করলেও, তাঁর স্পেলে ম্যাচে ফেরে মুম্বই। টসে জিতে শ্রেয়সদের ব্যাট করতে পাঠান যশপ্রীত বুমরা। ৮ উইকেটে ২০০ রান তোলে পাঞ্জাব। প্রভসিমরন সিং ৫৭ রান করে। প্রিয়াংস আর্য করেন ২৭ রান। এক স্পেলে প্রভসিমরন এবং শ্রেয়সকে ফিরিয়ে পাঞ্জাবকে চাপের মুখে ফেলে দেন। জবাবে শুরুতে বিপাকে পড়ে মুম্বই। ম্যাচের অধিকাংশ সময় আধিপত্য ছিল পাঞ্জাবের। কিন্তু তিলক বর্মার ৩৩ বলে ৭৫ রান এক বল বাকি থাকতেই মুম্বইকে লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ১০ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন উইল জ্যাকস। 

একসময় কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে ছিলেন শার্দুল। তখন এই নামই ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজির। ২০১৪ আইপিএলের নিলামে তাঁকে কেনে পাঞ্জাব। তিন বছর ছিলেন। তবে সেই সময় মাত্র একটি ম্যাচ খেলেন। ২০১৫ সালে দিল্লি ডেযারডেভিলসের বিরুদ্ধে। ২০১৬ আইপিএলের মাঝামাঝি তাঁকে পাঞ্জাব ছেড়ে দেয়। সেই সময় রঞ্জি ট্রফিতে মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হন। সেই সময় হতাশ হয়ে শার্দুল পোস্ট করেন, 'কাল টি-২০ ম্যাচের সেমিফাইনাল খেলব আমার ক্লাব পায়াদে এসসির হয়ে। দু'মাস পরে একটা ম্যাচ খেলব। আইপিএল দারুণ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।' এক দশক পর পাঞ্জাব ম্যাচের পরে সেই প্রসঙ্গ উঠে এল।