আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেকেআরের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০৫ রানে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে প্রায় প্লে অফে পৌঁছে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। জোড়া শূন্যের পর শতরান। রায়পুরে ১৯৩ রান তাড়া করতে নেমে অনবদ্য ইনিংস। ৩টি ছয় এবং ১১টি চারের মাধ্যমে নিজের নবম আইপিএল সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১২ ম্যাচের মধ্যে ৮টি জয়। গুজরাট টাইট্যান্সকে সিংহাসনচ্যুত করে একনম্বর স্থান দখল করে নিয়েছে আরসিবি। রানরেটে এগিয়ে থাকায় প্লে অফের দিকে আরও এক পা বাড়িয়ে দেন কোহলিরা। সাধারণত ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করা দল প্লে অফের ছাড়পত্র সংগ্রহ করে ফেলে। এই বিষয়ে এগিয়ে বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে প্লে অফের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ার উপক্রম কেকেআরের। সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্টে পৌঁছতে পারবে নাইটরা।
তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা ১১ ম্যাচের মধ্যে ছ'টিতে হারে। প্লে অফে যাওয়ার যে সামান্য সুযোগ ছিল, সেটা ধাক্কা খেয়েছে। কোহলিদের কাছে হারের ফলে প্রথম চারে থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। বুধবার একা কোহলি রাহানেদের থেকে প্লে অফের টিকিট ছিনিয়ে নেয়। ব্যক্তিগত ২১ রানের মাথায় বিরাটের ক্যাচ ফেলেছিল নাইটরা। তার খেসারত দিতে হয়। আর আউটই হননি। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে একনম্বরে আরসিবি। সমসংখ্যক ম্যাচে একই পয়েন্ট গুজরাট টাইট্যান্সের। কিন্তু রানরেটে পিছিয়ে থাকায় দু'নম্বরে গিলরা। দুই দলেরই দুটো ম্যাচ বাকি। অর্থাৎ, একটি জিতলেই প্লে অফ নিশ্চিত। হারলেও নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তবে বাকিদের রেজাল্টের ওপর নির্ভর করতে হবে।
তিন এবং চারে যথাক্রমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং পাঞ্জাব কিংস আছে। প্রথম দলের পয়েন্ট ১৪। শ্রেয়সদের ১৩। পাঞ্জাব এবং হায়দরাবাদ তাঁদের বাকি ম্যাচগুলো হারলে, এবং কেকেআর শেষ তিন ম্যাচ জিতলে একটা সম্ভাবনা তৈরি হলেও হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের দিকে নজর রাখতে হবে। বর্তমানে এই তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির পয়েন্ট নাইটদের থেকে বেশি। ১১ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট রাহানেদের। শেষ তিন ম্যাচই ঘরের মাঠে। এটা একমাত্র অ্যাডভান্টেজ। তবে নিজেদের হাতে আর কিছু নেই। জয়ের হ্যাটট্রিক করলেও, বাকিদের রেজাল্টের ওপর নির্ভর করতে হবে। হায়দরাবাদ এবং পাঞ্জাব আরও একটি ম্যাচ জিতলেই, আইপিএল থেকে ছিটকে যাবে কেকেআর। নিজেদের শেষ তিন ম্যাচ জিতলেও। নাইটদের বাকি ম্যাচ যাদের সঙ্গে রয়েছে, তাতে টেবিলে খুব বেশি হেরফের হওয়ার কথা নয়। অর্থাৎ, আরসিবির কাছে হেরে খাদের কিনারায় নাইটরা। কার্যত বিদায়ও বলা চলে।















