আজকাল ওয়েবডেস্ক: ডু অর ডাই ম্যাচ। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে জয় ছাড়া গতি নেই। রায়পুরে হারাতেই হবে বিরাট কোহলিদের। অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর ব্যাটে ভর করে সেই আশা জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ওভারের শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে নাইটদের রান ১৯২। ৪৬ বলে ৭১ রান রঘবংশী। ইনিংসে ছিল ৩টি ছয়, ৭টি চার। ২৯ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত রিঙ্কু। তবে শেষ পাঁচ ওভারের তেমন ফায়দা তুলতে পারেনি দুই সেট ব্যাটার। উইকেট খুব সহজ না হলেও, অন্তত ২০০ রানের গণ্ডি পেরোনোর জন্য অলআউট ঝাঁপানো উচিত ছিল নাইটদের। তার দুটো কারণ। বেঙ্গালুরুর ব্যাটিংয়ে গভীরতা আছে। দ্বিতীয়ত, চোটের জন্য নেই বরুণ চক্রবর্তী। তবে শেষপর্যন্ত অঙ্গকৃষ-রিঙ্কুর জুটিতে কোহলিদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল নাইটরা।
এদিন বৃষ্টির জন্য খেলা ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট দেরীতে শুরু হয়। তবে কোনও ওভার কাটা হয়নি। টসে জিতে কেকেআরকে ব্যাট করতে পাঠান রজত পতিদার। নাইটদের দলে একটি পরিবর্তন হয়। চোটের জন্য খেলতে পারেননি বরুণ চক্রবর্তী। সুযোগ পান মণীশ পাণ্ডে। তবে ব্যাট করার সুযোগ মেলেনি। দুরন্ত ছন্দে থাকা ভুবনেশ্বর কুমারের বিরুদ্ধে শুরুতেই হোঁচট খায় নাইটরা। শুরুটা ভাল করলেও ভুবির বলে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন ফিন অ্যালেন। ৮ বলে ১৮ রান করে আউট হন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। আবার ব্যর্থ অজিঙ্ক রাহানে। ১৩ বলে ১৯ রান করে ফেরেন কেকেআরের অধিনায়ক। ৪৮ রানে জোড়া উইকেট হারায় নাইটরা। এরপর দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। চলতি আইপিএলে দারুণ ছন্দে আছেন। এদিন তৃতীয় উইকেটে ক্যামেরুন গ্রিনের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৬৮ রান যোগ করেন। ৩২ বলে অর্ধশতরানে পৌঁছে যান অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। চলতি আইপিএলে তাঁর চতুর্থ অর্ধশতরান। কোটিপতি লিগে অঙ্গকৃষের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান।
এদিন নেতৃত্বে একটি ভুল করেন রজত পতিদার। জস হ্যাজলউডের বদলে ভুবনেশ্বরের সঙ্গে বল হাতে শুরু করেন জেকব ডাফি। ছন্দের ধারেকাছে ছিলেন না। কেকেআরের ব্যাটাররা তাঁকে টার্গেট করে। ৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৪৮ রান দেন। রায়পুরে চেনা ছন্দে ছিলেন না গ্রিন। ২৪ বলে কষ্টার্জিত ৩২ রান করেন। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোট করা হয় ছন্দে থাকা রিঙ্কু সিংকে। এবারের আইপিএলে সাধারণ ছয় বা সাতে নামতে দেখা গিয়েছে নাইটদের সহ অধিনায়ককে। কিন্তু এদিন পাঁচ নম্বরে নামানো হয়। নিরাশ করেননি। অঙ্গকৃষের সঙ্গে জুটি বেঁধে চতুর্থ উইকেটে ৫০ রান যোগ করে। মাত্র ২৯ বলে আসে এই রান। শেষপর্যন্ত চতুর্থ উইকেটে ৭৬ রান যোগ করে এই জুটি। তবে বরুণ না থাকায়, সমস্যায় পড়তে হতে পারে নাইটদের।















