আজকাল ওয়েবডেস্ক: সঞ্জীব গোয়েঙ্কার ওপর প্রচণ্ড চটে ললিত মোদী। তাঁকে আইপিএল থেকে নির্বাসিত করার আর্জি জানান। একইসঙ্গে তাঁকে দলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তোলেন। মোদী বলেন, 'আমি সবাইকে বলতে চাই লখনউ সুপার জায়ান্টসের মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কা বড় জোকার। ওর আচরণে আমি লজ্জিত। আমি প্লেয়ার এবং ফ্যানদের জন্য আইপিএল তৈরি করেছিলাম। আমি চেয়ারম্যান বা কমিশনার হলে, এই মুহূর্তে ওকে আইপিএল থেকে ছেঁটে ফেলতাম।' পাশাপাশি জানান, গোয়েঙ্কাকে কোনই দলের মালিক করা উচিত নয়। এভাবে ওকে ছাড় দেওয়া কোনওভাবেই উচিৎ নয়।

আবার সেই একই ছবি ফের আইপিএলে। পুরোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে লখনউ সুপার জায়ান্টসের হারের পর গর্জে উঠলেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।‌ আবার প্রকাশ্যে। মাঠে দাঁড়িয়ে। বদলে যায় শুধু উল্টো দিকের চরিত্র। সেদিন ছিলেন কেএল রাহুল। এদিন ঋষভ পন্থ। সঙ্গে জাস্টিন ল্যাঙ্গার। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৬ উইকেটে হারের পর দলের অধিনায়ক এবং কোচের ওপর আবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। আবার সেই মাঠে দাঁড়িয়ে, ক্যামেরার সামনে। 

প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১৪১ রান করে লখনউ। সমীর রিজভি এবং ট্রিস্টান স্টাবস দিল্লিকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। লখনউয়ের হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে গোয়েঙ্কার সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা যায় পন্থ এবং ল্যাঙ্গারকে। পন্থকে যথেষ্ঠ বিব্রত দেখায়। আলোচনায় জড়িয়ে পড়েন ল্যাঙ্গারও। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ওঠে এক বছর আগের কথা। ২০২৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে হারের পর মাঠে দাঁড়িয়েই প্রকাশ্যে কেএল রাহুলের ওপর চড়াও হতে দেখা গিয়েছিল গোয়েঙ্কাকে। এদিন আবার সেই অতীত ফেরে। হারের জন্য হতাশা ব্যক্ত করেন লখনউয়ের অধিনায়ক। পন্থ বলেন, '১৪০ রান করলে জয়ের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে বিপক্ষ স্বাভাবিক ক্রিকেট খেললেই জিতে যায়। পাওয়ার প্লেতে কয়েকটা উইকেট পেলেই বিপক্ষ চাপে পড়ে যেত।' হারের জন্য ব্যাটারদের দায়ী করলেন পন্থ। লখনউয়ের অধিনায়ক জানান, বোলাররা শুরুতে উইকেট থেকে কিছুটা সাহায্য পায়। কিন্তু ব্যাটারদের গাফিলতিতেই হার। পন্থ বলেন, 'নতুন বলে বোলাররা কিছুটা সাহায্য পায়। কিন্তু আমরা পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি।'