আজকাল ওয়েবডেস্ক: কেকেআরের তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটার অঙ্ককৃষ রঘুবংশী  গুরুতর চোট পেলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে। ইডেনে মুম্বই ব্যাটার তিলক ভার্মার ক্যাচ ধরতে গিয়ে সতীর্থ বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন রঘুবংশী।

ঘটনার পর ১৪-তম ওভারে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পরে জানা যায়, তাঁর কনকাশন হয়েছে। ফলে নিয়ম অনুযায়ী কনকাশন সাবস্টিটিউট হিসেবে মাঠে নামানো হয় তেজস্বী দাহিয়াকে। যাঁর এই ম্যাচেই আইপিএলে অভিষেক ঘটে। 

ম্যাচ শেষে কেকেআরের সহকারী কোচ শেন ওয়াটসন জানান, রঘুবংশী মাঠে ফিরতে মরিয়া ছিলেন। কিন্তু সংঘর্ষের পর তাঁর ঘাড়ে ব্যথা, মাথা ঘোরা এবং মাথাব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। 

ওয়াটসন বলেন, ''ক্যাচ নিতে গিয়ে ও অনেকটা দৌড়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বরুণের সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে ওর ঘাড়ে ব্যথা শুরু হয়। পাশাপাশি মাথা ঘোরা এবং মাথাব্যথাও ছিল। তাই রঘুবংশী ম্যাচ আর শেষ করতে পারেনি। অথচ মাঠে ফেরার জন্য ও খুবই মরিয়া ছিল।''

তিনি আরও বলেন,''রঘুবংশী ভীষণ লড়াকু ক্রিকেটার। ব্যাটিংয়ে আমরা ওকে মিস করেছি।'' 

রঘুবংশীর চোটের পর তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামানো হয় অভিজ্ঞ মণীষ পাণ্ডেকে। চলতি মরশুমে এটাই ছিল তাঁর প্রথম ব্যাটিংয়ের সুযোগ। ওপেনার ফিন অ্যালেন দ্রুত আউট হয়ে গেলেও পাণ্ডে ইনিংস সামাল দেন। অধিনায়ক অজিঙ্কে রাহানে এবং ক্যামেরন গ্রিন ফিরে যাওয়ার পরও মণীষ পাণ্ডে ও রভম্যান পাওয়েল দলকে ম্যাচে রাখেন। 

৩৩ বলে ৪৫ রান করেন পাণ্ডে। অন্যদিকে পাওয়েল ৩০ বলে ৪০ রান করে আউট হন। শেষদিকে কনকাশন সাবস্টিটিউট তেজস্বী দাহিয়া ১২ বলে ১১ রান যোগ করেন। 

শেষ পর্যন্ত রিঙ্কু সিং এবং অনুকূল রায় দলকে  দলকে জয় এনে দেন। ৭ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে কেকেআর।

এই জয়ের ফলে প্লে-অফের দৌড়ে টিকে রইল কলকাতা। মুম্বইকে হারিয়ে কেকেআর উঠে এসেছে ছ'নম্বরে। পিছনে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস। যদিও প্লে-অফে উঠতে গেলে এখনও অন্য ম্যাচের ফলের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে কেকেআরকে।

এখন কলকাতার সমর্থকরা চাইবেন লখনউ সুপার জায়ান্টস যেন হারায় পাঞ্জাব কিংসকে। আর মুম্বই যেন হারায় রাজস্থান রয়্যালসকে। যদি রাজস্থান জিতে যায়, তাহলে কার্যত কেকেআরের প্লে-অফের আশা শেষ হয়ে যাবে। অন্যদিকে পঞ্জাব হারলে কলকাতাকে শেষ ম্যাচে দিল্লিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে নেট রান রেট বাড়াতে হবে।