আজকাল ওয়েবডেস্ক: এক মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, গত কয়েক ম্যাচের মতো রাজস্থান রয়্যালস দিল্লির বিরুদ্ধে নিজেদের চেনা ছবিই ফের তুলে ধরবে। প্রথম বলেই বিশাল ছক্কা হাঁকান যশস্বী জয়সওয়াল।
গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। পাওয়ার প্লে-তে ফের বড় রান তোলার ইঙ্গিত দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু তারপরই নিজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিলেন মিচেল স্টার্ক। কোনও অতিরিক্ত উত্তেজনা নয়, পরিকল্পনাতেও বদল নয়।
মাত্র দুই বল পরেই যশস্বী জয়সওয়ালকে ফিরিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার। হাই ফুল টস খেলতে গিয়ে সোজা ক্যাচ তুলে দেন রাজস্থান ওপেনার। সঙ্গে সঙ্গেই গ্যালারির উন্মাদনায় কিছুটা ভাটা পড়ে।
সেখানেই শেষ নয়। অন্য প্রান্তে কাইল জেমিসনের শিকার হন তারকা ব্যাটার বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ১.৩ ওভারে ১২ রানেই দু’ উইকেট হারায় রাজস্থান। এরপর ইনিংস এগোলেও রাজস্থান আর পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি।
মাঝেমধ্যে বড় শট এলেও নিয়মিত উইকেট হারানোয় রান তোলার গতি ব্যাহত হয়। স্টার্ক শেষ পর্যন্ত ৪০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। তবে তাঁর প্রভাব শুধু পরিসংখ্যানে নয়, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তোলার ক্ষেত্রেই তিনি আসল পার্থক্য গড়ে দেন।
এই ম্যাচের আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং ইউনিট আত্মবিশ্বাসের ধাক্কা খেয়েছিল। এর আগে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ২৬৫ রান করেও তা রক্ষা করতে পারেনি তারা।
ফলে দিল্লির বোলিং আক্রমণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। জয়পুরের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে তাদের নিয়ে খুব বেশি আশা ছিল না। স্টার্কের প্রথম ওভারেই রাজস্থানের শুরুটা নড়বড়ে হয়ে যায়।
তবে আসল ধাক্কা আসে ১৭তম ওভারে। স্টার্কের এক ওভারে প্রথমে উইকেট হারান রবীন্দ্র জাদেজা, তার কিছু বল পরেই সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক রিয়ান পরাগ। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত দিল্লির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
চোটগ্রস্ত লুঙ্গি এনগিডির পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়ে নতুন বল হাতে মিচেল স্টার্কের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন জেমিসন। অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার ম্যাচে তিনটি উইকেট নিয়ে দিল্লির জয়ে বড় ভূমিকা নেন।
স্টার্ককে প্রশংসায় ভরিয়ে জেমিসন বলেন, ‘ও বিশ্বমানের বোলার। দলে এমন কাউকে পাওয়া সবসময়ই বড় সুবিধা। ঠিক সময়ে ও এসেছে, কারণ পয়েন্ট তালিকায় আমাদের দ্রুত এগোতে হত। নতুন বল হাতে ওর সঙ্গে বোলিং করা সত্যিই অসাধারণ অভিজ্ঞতা।’















